Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Discussion

Blog Archeives

টাইম মেশিন

Subscribe Here

Sign up here with your email.

Flickr Images

Formulir Kontak

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Popular Posts

Featured Articles

Decoration

All Stories

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০১৫

Know the PC magic

In this Template you will be able to add ads inside articles easily top or the middle or the bottom of the article as you like only follow the steps below :


Go to your dashboard, and click on layout
Click edit in Ads Inside Post widget and add your ad code inside the box content
Now just inside your post between text add [post_ad]
. Author Box First Go to Blogger > Template > "Edit HTML"
Find below code.

০৩। হার্ডডিস্ক নিয়ে টেনশনের দিন শেষ! এবার নিজেই ম্যাকানিক হোন ও সহজেই ব্যাড সেক্টর দূর করুন !!

السلام عليكم  আসসালামু আলাইকুম। আশা করি খোদা-তায়ালার অশেষ মেহেরবাণীতে এক প্রকার কুশলেই আছেন। সবাইকে নতুন বাংলা বছরের বৈশাখী শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের দিনের আমার প্রথম পোষ্ট।
হার্ডডিস্ক কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মূলত আমরা পিসিতে যা কিছু সংরক্ষন করি ও দেখি সেগুলো সবই হার্ডডিস্কে সেইভ হয়। ক্রয়কৃত নতুন হার্ডডিস্কে সেইরকম কোন গুরুতর সমস্যা দেখা দেয় না। কিন্তু সমস্যা হয় ৬ মাস বা ১ বছর ব্যবহারের মাথায়। আর সেই সমস্যাটি হল হার্ড ডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়া। এটি একটি মূখ্য সমস্যা।
ব্যাড সেক্টর কি?


ব্যাড সেকটর হলো কিছু মেমোরি নষ্ট হয়ে যাওয়া। অর্থাৎ হার্ডডিস্কের যেখানে ব্যাড সেকটর পড়ে,সেখানে কোনো তথ্য সংরক্ষিত হয় না। হার্ড ডিস্কের মেমোরির যে অংশটুকু দীর্ঘ সময় ধরে ফাঁকা বা অব্যবহৃত থাকে,সেখানে ব্যাড সেকটর পড়ে। উদাহরন স্বরুপ বলা যায়, আপনি বাজার থেকে একটি নতুন টেবিল ক্রয় করে আনলেন টেবিলের উপর কিছু রাখলেন না। কিন্তু আপরার অগোচরে কেউ একজন সেখানে কিছু রাখল। তাতে নিশ্চয় টেবিলের ফাকা জায়গা পূরন হল। তেমনি হার্ডডিস্কে ঐ ভাবেই ব্যাডসেক্টর পড়ে। মূলত ঘন ঘন বিদুৎ চলে যাওয়া, ইউপিএস ব্যবহার না করার কারনে কিংবা হার্ডডিস্ক ড্রাইভ গুলো ডিফ্রাগমেন্ট কিংবা SFC না করার ফলে ব্যাড সেক্টর পড়ে
প্রধানত হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর ব্যবহারকারীর সংখ্যাই বেশী হবে। আর হবেই না কেন? দেশের যে বিদ্যুৎতের পরিস্থিতি। হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়ে তা আমরা শুনেছি ও শুনলাম। কিন্তু এই ব্যাড সেক্টর রিপেয়ার করা যায় তা বোধ হয় কম সংখ্যক ব্যক্তিই জানি। আসলে কথাটা অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, এমন কিছু  আধুনিক সফটওয়্যার আছে যার দ্বারা হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর রিপেয়ার করা যায়। আমি নিজেও এই রকম বেশ কয়েকটি ফ্রী সফট পূর্বে ব্যবহার করেছি। কিন্তু ফলাফল সন্তোষজনক ছিলনা। যে গুলো ভাল সফটওয়্যার সেই গুলো অর্থ দিয়ে ক্রয় করতে হবে। কাজেই সুয়োগের অপেক্ষায় ছিলাম। মূলত রাজধানী ঢাকা শহর সহ অনেক বিভাগীয় শহরগুলোতে অনেক টেকনিশিয়ান বলে থাকেন, তারা হার্ডডিস্ক রিপেয়ার করে থাকেন। প্রতি হার্ডিডিস্ক রিপেয়ার সার্ভিস ফী ২৫০-৫০০৳ । এটা কতটুকু তারা সার্ভিস দিবেন বা কোন সফওয়্যার ব্যবহার করেন তা আমি নিজেও জানি না।
আমার অভিজ্ঞতায় বলছি- ১। রাজশাহীর নিউ মার্কেটে একাধিক কম্পিউটার সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। লেখাপড়ার সূত্রে রাজশাহীতে আসা তাদের প্রত্যেকের সাথে কম বেশী আমার পরিচয় আছে। এদের মধ্য একটি সার্ভিসিং সেন্টার আছে যেখানে- প্রতিদিন প্রায় ২০-৩০ টি হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর রিপেয়ারের কাজ করা হয়। কাজের চাপ ও কম নয়। তাই আমি ভাবলাম আমার হার্ডডিস্কটিও রিপেয়ার করে নিই। আমার ব্যাড সেক্টর রিপেয়ারের প্রয়োজন ছিল না।
কেননা মাত্র ১০ মাস হল ৩৮,৮৫০ টাকাতে  নতুন পিসি ক্রয় করলাম। সেখানে সিগেট কোম্পানীর ১ টেরাবাইটের হার্ড ডিস্ক নিয়েছিলাম মাত্র ৫,০০০ টাকায়। এখন অবশ্য মার্কেটে হার্ডডিস্কের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে- ৫০০ এমবির দাম প্রায় ৭,০০০৳।
(উল্লেখ্য- সিগেট হল বর্তমানে হার্ডডিস্ক প্রস্তুতকরনে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান। বেশ কয়েক বছর পূর্বে বাজারে Maxtor,Quantum নামে যে হার্ডডিস্ক কোম্পানী ছিল তা সিগেট মালিকানা হিসাবে গ্রহন করে-তথ্যসূত্র PC World.com-03/12/2011) তবু ভাবলাম হার্ডডিস্ক রিপেয়ার করতে দেয়া যাক।
কাজের ফলাফল কতটুকু সত্য তা জানা যাবে। হার্ডডিস্ক তাদের কাছে প্রেরন করলে তারা প্রতিউত্তরে বললেন মামা ৩০ মিনিট পর এসে হার্ডডিস্ক নিয়ে যাবেন। ৩০ মিনিট পর হার্ডডিস্ক গ্রহন করলাম। অবশ্য তারা আমার কাছ থেকে কোন ফী নিল না, আমি দিতে চাইলাম তবুও তারা গ্রহন করলেন না। আমি প্রশ্ন রাখলে প্রতিত্তরে তারা বললেন, আপনি কম্পিউটার বিষয়ে অনেক কিছু জানেন মামা! তাছাড়া প্রতিনিয়তই আপনার সাথে আমাদের দেখা হয়। আরে বলতে গেলে আপনি তো আমাদের পরিবারের সদস্য। তাই নিতে লজ্জাবোধ লাগছে। এই দিকে আমার মনেও সন্দেহ থেকে গেল – কিভাবে ১ টেরাবাইটের হার্ডডিস্ক মাত্র ৩০. মিনিটের সময়ের ব্যবধানে রিপেয়ারিং সম্ভব। অবশ্য আমি কোনরুপ মন্তব্য করলাম না। এই দিকে হলে/ছাত্রাবাসে এসে আমার কালেক্ট করা HDD Re generator সফটটির সাহায্য পরীক্ষা করে দেখলাম কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাহলে ভাবুন একেত আমার হার্ডডিস্কের এই অবস্থা হয় তাহলে অপরজনের হার্ডডিস্কের অবস্থা কিরুপ হবে তা খোদা-তায়ালাই ভাল জানেন। ঐ ঘটনার দিন বিকালে যেখানে হার্ডডিস্ক ঠিক করতে দিয়েছিলাম সেখানকার এক মামার সাথে আমার ক্যাম্পাসে দেখা। তাকে সব কিছু বললে তিনি বললেন, মামা আসলে কি বলব আমাদের কাছে রিপেয়ার করার মত ঐ সফট নেই। এখন পাবলিক ছাড়ে না তাই বাধ্য হয়ে হার্ডডিস্ক পার্টিশন বা সেটাপ করে তাদের অনেককে বুঝিয়ে দেয়া হয় ব্যাড সেক্টর রিকভার করা হয়েছে। আসলে সবাই তো আর কম্পিউটার প্রযুক্তি বোঝে না……. ইত্যাদি। আমরা অবশ্য Norton Ghost দিয়ে কাজ করি। (উল্লখ্য এখানে Norton Ghost কোন ব্যাড সেক্টর রিপেয়ারিং সফট নয়, মূলত হার্ডডিস্কের পার্টিশেনর কাজ করতে এবং সংক্ষেপে এক হার্ডডিস্ক থেকে অন্য হার্ডডিস্ক ড্রাইভকে ক্লোন করে O/S ট্রান্সপার করা হয়। যা মাত্র ০৮/১০ মিনিটে কাজ করা সম্ভব।)
যাহোক, অনেক গল্প হল। এবার কাজের কথায় আসি। আমি কিছুক্ষন পূর্বে HDD Re generator নামে যে সফটওয়্যারটির কথা বললাম। এটিই হল সেই সফটওয়্যার যার সাহায্য ব্যাড সেক্টর রিপেয়ার করা সম্ভব। হার্ডডিস্ক ব্যাড সেক্টর রিপেয়ার করার মত যত সফটওয়্যার আছে । এটি জনপ্রিয়তার দিক খেকে সকলের শীর্ষ পর্যায়ে ও একটি বিশ্বস্ততম ইউটিলিটি সফট। সফট ওয়্যারটি ডাউনলোড করতে আমার দেওয়া লিংক অনুসরন করলেই চলবে।
১। সফট ওয়্যারটি ডাউনলোড করে যখন ইনষ্টল করবেন তখন ইনষ্টলের শেষ পর্যায়ে নিম্নোক্ত চিত্রনুয়ায়ী Launch the program থেকে টিক উঠিয়ে দিয়ে Finish করুন। ভূলেও প্রোগ্রামটি রান করবেন না।
২। এবার উক্ত ডাউনলোড করা ফাইল থেকে HDD Regenerator.exe এবং hddreg.exe ফাইল দুটি কপি করে C:\Program Files\HDD Regenerator
ফোল্ডারে copy & Paste করে Replace করুন
৩। এখন HDD Regenerator ফাইলটি রান করুন/চালু করুন। দেখা যাবে সফটওয়্যারটির রেজিষ্টার্ড ভার্সন হয়ে গেছে
৪। এবার কাজের পালা। আপনি যদি বুটেবল সিডি তৈরী করতে চান তাহলে Bootable CD/DVD তে ক্লিক করুন। Choose Recorder থেকে আপনার সিডিরমটি সিলেক্ট করুন। এবং সিডি রমে একটি ব্লাংক সিডি প্রবেশ করাতে হবে।

৫। Recording Speed হতে যে কোন স্পীড সিলেক্ট করে Burn CD তে ক্লিক করুন। ৩/৪ মিনিট সময় নিবে। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল Bootable CD
৬। আর যারা সিডি তৈরী করতে পারেন না। তাদের চিন্তিত হবার কিছুই নাই।
Click here to repair physical bad sectors on damaged drive
surface directly under windows (XP/Vista/7) এ ক্লিক করুন

৭। হার্ড ডিস্কটি সিলেক্ট করে Start Process এ ক্লিক করুন-

৮। একটি কালো স্কীন আসবে। সেখানে Enter Choice-এ (যেখানে Scan & Repair লেখা Option টি আছে)
সেখানে 1 দিয়ে এন্টার করুন। আর যদি এরুপ না দেখায় তাহলে Enter Choice-এ
(যেখানে Normal Scan (With/Without Repair লেখা Option টি আছে)
সেখানে 2 দিয়ে এন্টার করুন। নিম্নরুপ স্কীনের মত।
৯। ব্যাস কাজ শুরু হয়ে গেছে। স্কীনে কাজের বিভিন্ন ধাপ দেখতে থাকুন। সম্পূর্ণ কাজের ধারা শেষ হতে প্রায় ১/২ ঘন্টা সময় নিতে পারে। উদাহরনভাবে বলা যায় যে,আমার ১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক ব্যাড সেক্টর রিপেয়ার করতে প্রায় ৩.০০ ঘন্টা সময় নিয়ে ছিলো।
১০। এইভাবে কাজের প্রক্রিয়া যখন শেষ পর্যায়ে ১০০% দেখাবে তখন একটি Drive Map দেখাবে সেখানে যাবতীয় তথ্য থাকবে যেমন-
কতটি কতটি ডিটেক্ট/রিমুভ করতে পেরেছে, হার্ড ডিস্কে অন্য কোন সমস্যা অআছে কিনা ইত্যাদি। উক্ত স্কীন থেকে বাহির হওয়ার জন্য ESC কী প্রেস করুন।

১১। এবার উপভোগ করতে থাকুন ব্যাড সেক্টর মুক্ত একটি স্বাস্থ্য সম্পন্ন হার্ডডিস্ক। অবশ্য এই কাজটি করার ফলে আপনার
পিসিরও পূর্বের তুলনায় অনেক পারফরম্যান্স বৃদ্ধি পাবে।
আর যারা Bootable CD তৈরি করেছেন তাদের কাজও আমার উপরোক্ত আলোটনার অনুরুপ সম্পুর্ণ কার্বন কপি। এখানে প্রধান কাজটা হচ্ছে Bootable CD থেকে কাজটি করতে হলে আপনার Bios অপশন থেকে প্রথমে First বুট হিসাবে সিডি রমকে দেখাতে হবে। অতপর Bootable CD টি সিডি রমে প্রবেশ করিয়ে বুট অপশনে যখন দেখাবে Press Any key to Continue …………. তখন যে কোন কী প্রেস করে কাজের প্রক্রিয়া শুরু করুন। আশা করি সমস্যা হবার কথা নয়।
নির্দেশনা-
১। হার্ডডিস্ক পার্টিশন করলে কিন্তু পূনরায় ব্যাড সেক্টর ফিরে আসবে। আমার এই কথাতে হয়ত অনেকে প্রশ্ন করবেন তাহলে ব্যাড সেক্টর রিপেয়ারিং করে কি লাভ হল? হ্যা লাভ হয়েছে। এই সফটওয়্যারটি ব্যবহারে আপনার সমগ্র হার্ডডিস্ক ড্রাইভের যতগুলো ব্যাড সেক্টর ছড়ানো ছিল তা সাজিয়ে গুছিয়ে একটি নিদিষ্ট স্থানে নিয়ে গিয়ে ব্লক করে রাখবে। ফলে পিসিতে কাজ করতে গেলে হার্ডডিস্ক ক্রাশ করবে না, হার্ডডিস্কের RPM সঠিকভাবে কাজ করবে। এবং হার্ডডিস্কের অযথা জায়গা নষ্ট হওয়া থেকে সুরাক্ষা দিবে।
২। একটা কথা অবশ্যই মনে রাখা দরকার হার্ডডিস্ক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আপনার হার্ডডিস্ককে যেভাবে সেটাপ করে দেয়।তা পরবর্তীতে ব্যবহারের পর পূর্বের কার্যকারীতা কখনোই ফিরে পাবেন না। এখানে পৃথিবীর যতবড় ইউটিলিটি ব্যবহার করেন না কেন? কেননা, হার্ডডিস্কের ভিতর একটি ফার্মওয়্যার যুক্ত থাকে তার প্রধান কাজ হল- হার্ডডিস্কটি কতবার চালু হয়েছে, কত ঘন্টা চলেছে, বর্তমান অবস্থা কিরুপ ইত্যাদি যাবতীয় খবর রাখা। অবশ্য এই রকম সফটওয়্যারও পাওয়া যায় যেখানে হার্ডডিস্কের যাবতীয় তদারকি করে। ইনশাআল্লাহ্ আমি যদি এই রকম কোন সফটওয়্যার পাই তাহলে পরবর্তীতে পোষ্ট করবার ইচ্ছা আছে।
৩। আর আপনি যদি বিশেষ কারনে পার্টিশন করেই ফেলেন। তাহলে পূনরায় HDD Regenerator2011 সফটওয়্যারটি চালু করে নিলেই হবে।
৪। হার্ডডিস্ক সুস্থ রাখতে তো দোষ নেই। তাই হার্ডডিস্কটি সুস্থ রাখতে ও ব্যাডসেক্টর ব্লক করে রাখতে ও কার্যকারীতা ধরে রাখতে  HDD Regenerator2011 টি অত্যন্ত কার্যকারী। আমি নিজে ব্যবহার করে এর ভাল ফল পাচ্ছি।
যারা এই সফট ওয়্যারটি নিয়ে কাজ করতে চান তারা আমার দেয়া এই লিংক হতে ডাউনলোড করুন-

আজ এই পর্যন্তই। অনেক কথা হল। ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভূলবেন না যেন। পরিশেষে সবার সুস্থতা কামনা করে শেষ করছি। আল্লাহ্ হাফেজ-
 
N.B- : DO NOT COPY MY ANY COLLECTION & AND DO NOT SHARE IT OF OTHER PERSONS  ™ AMD

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০১৫

Alertpay/Payza Account ওপেন করে টাকা ইনকাম করুন ও ব্যবহারের কলা-কৌশল আলোচনা (২য়/শেষ পর্ব))




আসসাসলামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। শুরু করছি গতকাল Payza/Alertpay আলোচনার আজ শেষ পর্ব। অবশ্য গতকালকের আলোচনাতেই এলার্টপের মুল পর্ব শেষ করেছিলাম। আজ থাকছে বেসিক কিছু কলা-কৌশল। হয়ত আমার ১ম পর্বের লেখা পড়ে অনেকেই এলার্টপে একাউন্ট তৈরির কৌশল রপ্ত করতে পেরেছেন। ফেসবুক ও মেইলে অনেকেই বিভিন্ন কমেন্ট করেছিলেন ও বিভিন্ন অনুপ্রেরনা দিয়েছেন। বেশ ভালই লেগেছে। পরিশেষে ঐ সকল পাঠক/বন্ধুদের কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তাহলে আর দেরি কেন? শুরু করা যাক-
অবশ্য যে সকল পাঠকগণ Payza/Alertpay আলোচনার  ১ম পর্ব পড়েন নাই তারা নিচের লিংকটি অনুসরন করতে পারেন-

Alertpay/Payza Account ওপেন করে টাকা ইনকাম করুন ও ব্যবহারের কলা-কৌশল আলোচনা (পর্ব-০১)

আপনার Payza/Alertpay একাউন্টকে কিভাবে ভেরিফাই করবেন?
এবারতো আপনার একাউন্ট তৈরি হল। ভেরিফিকেশন করতে হবে। এখানে শুধু একাউন্ট তৈরি করলেই হবে না। ভেরিফিকেশন করার ব্যবস্থা করতে হবে।ভেরিফিকেশন না করলে কোন অবস্থাতেই আপনার এলার্টপে একাউন্ট দ্বারা লেনদেনের উপযোগী করতে পারবেন না। মুলত ভেরিফিকেশন হল- এলার্টপে কর্তৃপক্ষ আপনাকে পরীক্ষা করবেন আপনি এলার্টপের বৈধ গ্রাহক কিনা? একবার ভেরিফিকেশন হয়ে গেলে আর কখনোই ভেরিফিকেশনের দরকার হয়না। তাহলে এবার দেখাব কিভাবে আপনার এলার্টপে ভেরিফিকেশন করবেন।
এলার্টপে তে মূলত ০৩ ধরনের ভেরিফিকেশনের ব্যবস্থা আছে তথা-
১. Bank Transfer or Bank wire (Swift) Deposit- এখানে ব্যাংক ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে যাচাই করা হয়ে থাকে। যারা কোন ব্যাংকের গ্রাহক তাদের সেই ব্যাংকের এখানে (Swift)কোড প্রবেশ করাতে হয়। আমাদের দেশের ব্যাংকগুলোকে এলার্টপে কর্তৃপক্ষ (Swift)কোডের ভেরিফিকেশন করতে এখনো প্রয়োজন মনে করেনি।তাই এখানে বাংলাদেশ অন্তভূক্ত নাই।
২. Credit Card Validation- এখানে যারা মাষ্টার কার্ড ব্যবহার করেন তারা ভেরিফিকেশন করাতে পারবেন। এখানে এলার্টপে তে আপনার মাষ্টার কার্ডের পিন প্রবেশ করাতে হবে। অতপর এলার্টপে আপনার মাষ্টার কার্ড থেকে কিছু ডলার কেটে নিবে। পরিশেষে এলার্টপে একাউন্টে গিয়ে ভেরিফিকেশনে জানাতে হবে কত ডলার কাটা হয়েছে। যদি তথ্য ঠিক দেন তাহলে একাউন্ট ভেরিফিকেশন হয়ে গেল।
৩. Complete both- এখানে কেউ যদি A ও B অপশনের দুটোই ভেরিফিকেশন করাতে চান তাহলে এই অপশনটি কাজে লাগাতে হবে।
৪. Phone Validation- এই অপশনটি সবাই ব্যবহার করেন। অআপনিও এই অপশনটি বেছে নিন। এখানে এলার্টপে কর্তৃপক্ষ আপনার মোবাইল নম্বরে একটি গোপন কোড প্রেরন করবে। অতপর সেই কোডটি প্রবেশ করালে আপনার একাউন্ট ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে।
এই কাজটি করতে আপনার একাউন্টে লগইন করুন। My Payza Account এর Main Menu বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে নতুন একটি মেনু আসবে। এখান হতে  যেখানে লেখা আছে-Verification সেটিতে ক্লিক করুন। চিত্রনুযায়ী নিম্নরুপ-

অথবা আপনার একাউন্টের উপরের মেনুবার Message Center যান> প্রোফাইলে ক্লিক করুন> মেনু আসবে সেখান হতে Cheek Your Verifications Status এ- ক্লিক করুন।
পরামর্শ-
আপনি আপনার Payza Account এর যে কাজ করেন না কেন! যেমন-Account verification, Personal Information, ইমেইল আইডি জানতে, ট্রানজেকশন পিন পরিবর্তন করতে, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে, ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক একাউন্ট যোগ করতে, রেফারেল করতে, একাউন্ট আপগ্রেড করতে এবং রিমুভ করতে সর্বদা এই দুটি অপশনের মাধ্যমেই করতে হবে। তাই এখানে এই অপশন সম্পর্কে আপনার ধারনা রাখতে হবে।
তাহলে চলুন মোবাইল দ্বারা একাউন্ট ভেরিফিকেশন করি-
Account verification  গিয়ে ক্লিক করুন > সেখানে Phone Validation- অপশনটি বেছে নিন।এখানে মোবাইল নম্বরটি দিয়ে সেন্ড করলে আপনার মোবাইলে একটি কোড প্রেরন করা হবে। ঐ কোডটি নিদিষ্ট বক্সে লিখে OK করলে আপনার একাউন্টটি ভেরিফিকেশন হিসাবে Completed হিসাবে শো করবে। প্রাথমিকভাবে মোবাইল দিয়ে ভেরিফিকেশন করলেই হবে।পরবর্তীতে যদি মনে করেন মাষ্টার কার্ড দ্বারা ভেরিফিকেশন করবেন তা করা যাবে। ভেরিফিকেশন সঠিক হলে নিম্নরুপ চিত্র দেখাবে-কাজের কাজ হয়ে গেল। এখন আরও কিছু অপশন আছে সেইগুলো নিয়ে আপনি নিজেই কাজ করতে পারবেন। এলার্টপের কিছু অপশনের সাথে আপনাদেরকে পরিচয় করাব। মূলত আপনার একাউন্টে প্রবেশ করে যাবতীয় কাজ করতে পারবেন। এখানে  MY Account/Profile সিলেক্ট রেখে যাবতীয় কাজ করতে পারবেন নিচের চিত্রনুয়ায়ী-
সংক্ষেপে কিছু আলোচনা-
Personal Information- এখানে আপনার যাবতীয় তথ্যদি রয়েছে। যদি প্রয়োজনে মনে করেন তাহলে তথ্যাদি আপগ্রেড করতে পারবেন।এখানে কাজ করলে নিম্নরুপ চিত্র পাবেন
Password-            এখানে আপনি যে কোন মুহুর্তে Password পরিবর্তন করতে পারবেন।
Transaction PIN-  এটি পূর্বেই বলেছিলাম লেনদেনের ট্রানজেকশন। এটি পরিবর্তন করতে পারবেন।
Email Addresses-            এটির কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারবেন না।
Language Preference-        ভাষা হিসাবে সিলেক্ট করতে পারবেন। তবে স্থায়ী হিসাবে ইংরাজীতে নির্বাচিত থাকে।
Verification-          এখানে অআপনার একাউন্টকে ভেরিফিকেশন করাতে হয়। যা পূর্বেই আলোচনা করেছি।
Downgrade/Upgrade Account- যে কোন সময় আপনার একাউন্টকে আপগ্রেড করতে পারবেন।অর্থা Personal Free থেকে Personal Pro/Business-এ অথবা Personal Pro/Business থেকে Personal Free তে কনভার্ট করতে পারবেন।নিচের চিত্রনুয়ায়ী-
Referrals-     রেফারেল দ্বারা আপনি ইনকাম করতে পারবেন। আপনার পরিচিত বন্ধুদেরকে ইনভাইট করতে পারবেন।এটি প্রথমেই অআমি আলোচনা করেছি।
Close Account- আপনি যদি মনে করেন পেপাল একাউন্ট চালাতে পারছেন না।তাহলে এই একাউন্টটি ডিলেট করতে পারবেন। ডিলেট করতে হলে পূর্বের Transaction PIN দিতে হবে এখানে আপনার একাউন্ট কিন্তু চিরতরে ডিলেট হয়ে যাবে। পরবর্তীতে যদি একই মেইল থেকে যদি পূনরায় এলার্ট পে ওপেন করতে চান পারবেন না। কেননা, এলার্ট পে কর্তৃপক্ষ অআপনার মেইলকে আইপি হিসাবে চিনে রেখেছে। তাই নতুন মেইল দ্বারা একাউন্ট ওপেন করতে হবে।

আমার মতে, এটি না করাই ভাল। কেননা আপনার একাউন্ট তো অমর থাকবে। আপনি যদি ইনকাম বা লেনদেন নাও করেন কোন সমস্যা নাই।
আশা করি আপনাদের একাউন্টের প্যানেল নিয়ে অনেক কিছুই জানলেন। প্রথমদিকে একটু বুঝতে সমস্যা হতে পারে। এই ভাবে ২/৩ দিন ঘাটাঘাটি করলে ব্যাপারটা সহজেই বুঝতে পারবেন।
Payza থেকে কিভাবে টাকা পকেটে অআনবেন? বা লেনদেন করবেন?
Payza একাউনট থেকে ৪ টি ভিন্ন উপায়ে টাকা আনা যায়এইগুলো হল-
। Cheeck
2. Credit Card/Master Card
3. Bank Transfer
4. Bankware
এবার এইগুলো সম্পর্কে সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করছি-
পদ্ধতিগুলো হল – চেক, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ব্যাংক ওয়্যার
১) চেক: এই পদ্ধতিতে একটি চিঠির মাধ্যমে চেক পাঠানো হয়। চেকের জন্য এলার্টপে-কে ৪ ডলার ফি দিতে হয় এবং একাউন্টে সর্বনিম্ন ২০ ডলার হলে চেকের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করার ২ দিনের মধ্যে একটি চেক আপনার ঠিকানায় পাঠানো হবে, যা হাতে পেতে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। চেকটি ডলারে পাঠানো হয় তাই যেসব ব্যাংক ডলারে চেক গ্রহণ করে সেখানে এটি জমা দিতে হবে। সরকারী ব্যাংকের মাধ্যমে চেক থেকে টাকা তুলতে অল্প একটা ফি দিতে হয়, তবে সময় বেশি নিবে। আর বেসরকারী ব্যাংকে তুলনা মূলকভাবে বেশি ফি দিতে হবে কিন্তু সময় অনেক কম লাগবে। যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কিংবা ক্রেডিট কার্ড নেই তাদের জন্য এটি খুব দরকারি, সময় একটু বেশি লাগলেও ঝামেলা কম। প্রথম প্রথম যখন আপনার আয় কম থাকবে তখন এই পদ্ধতি ইউজ করতে পারেন। পরে আয় বাড়লে মাস্টার কার্ড নিয়ে নিতে পারেন। তবে সাবধান, আপনার এলার্ট পে অ্যাকাউন্টে আপনার ঠিকানা সঠিক ভাবে দিবেন এবং ” চেক” পাঠানোর আগে ঠিকানা ভালো ভাবে চেক করে দিবেন।
২) ক্রেডিট কার্ড: যাদের ভিসা বা মাস্টারকার্ড রয়েছে তারা এই পদ্ধতিতে খুব সহজেই টাকা আনতে পারবেন। এলার্টপে সাইটে ক্রেডিট কার্ডের কথা বলা হলেও এটি ডেবিট কার্ডও সাপোর্ট করে। এজন্য প্রথমে এলার্টপে সাইটে কার্ডটি যোগ করতে হবে। কার্ডটি যাচাই করার জন্য এলার্টপে আপনার কার্ড থেকে ১ থেকে ২ ডলারের মধ্যে একটি অর্থ এলার্টপে একাউন্টে নিয়ে আসবে। এরপর কত ডলার লেনদেন হয়েছে এবং সেই পরিমাণটি এলার্টপে সাইটে এসে একটি টেক্সটবক্সে প্রবেশ করাতে হবে। সঠিকভাবে ডলারের পরিমাণটি বলতে পারলে আপনার কার্ডটি অর্থ লেনদেনের জন্য উপযোগী হবে। লক্ষ্যণীয় যে, আপনার এলার্টপে একাউন্টে অর্থ লেনদেনের মূল মূদ্রা হিসেবে ইউরো থাকলে কার্ড যাচাইয়ের পূর্বেই ডলারে পরিবর্তন নিতে হবে। অন্যথায় সঠিকভাবে কার্ডটি যাচাই হবে না। এলার্টপে থেকে কার্ডে প্রতিবার লেনদেনে ৫ ডলার ফি দিতে হয় এবং সর্বনিম্ন ১০ ডলার উঠানো যায়, যা ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে কার্ডে সরাসরি চলে আসে। এরপর নিকটস্থ ATM (যেগুলো মার্সারকার্ড সাপোর্ট করে – যেমন DBBL, Standard Chartered Bank) থেকে যে কোন সময় টাকা তোলা যায়।
৩) ব্যাংক ট্রান্সফার: এলার্টপে থেকে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা আনা যায় না। তবে যাদের Payoneer মাস্টারকার্ডে US Virtual Account নামক সার্ভিসটি আছে তারা এই পদ্ধতিতে মাত্র ০.৫ ডলারের বিনিময়ে কার্ডে টাকা আনতে পারেন। আর সময় লাগে মাত্র ২ থেকে ৩ দিন। যারা এক বছর থেকে Payoneer কার্ডটি ব্যবহার করছেন তারা এই US Virtual Account এর জন্য Payoneer সাইটে আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রের First Bank of Delaware নামক ব্যাংকের একটি ভার্চুয়াল একাউন্ট দেয়া হবে। এই ব্যাংকের সাথে মাস্টারকার্ডটি যুক্ত থাকে। অর্থাৎ কেউ যদি আপনার ওই ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠায় তখন এটি সরাসরি আপনার কার্ডে জমা হয়ে যাবে। তবে এই ব্যাংক একাউন্ট থেকে কখনও অন্যকে আপনি টাকা পাঠাতে পারবেন না, শুধুমাত্র গ্রহণ করতে পারবেন। এলার্টপে সাইটে এই ব্যাংক একাউন্টটি যুক্ত করতে প্রথমে Add Bank Account পৃষ্ঠায় গিয়ে দেশ হিসেবে United States সিলেক্ট করতে হবে। তারপর Bank Transfer সিলেক্ট করে একাউন্টটির নাম্বার, ABA Routing নাম্বার, ব্যাংকের নাম ইত্যাদি তথ্য দিতে হবে, যা Payoneer সাইট থেকে পাওয়া যাবে। এরপর এলার্টপে থেকে আপনার একাউন্টে ১ ডলারের কম দুটি অল্প অর্থ পাঠানো হবে যা Micro Deposit নামে পরিচিত। দুই দিন পর Payonner সাইটে লগইন করে ডলার দুটি দেখতে পাবেন। এই দুটি লেনদেনের পরিমাণ এলার্টপে সাইটে এসে দুটি টেক্সটবক্সে প্রবেশ করতে হবে। সফলভাবে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারলে আপনি সবচেয়ে কম খরচে এলার্টপে থেকে টাকা দেশে আনতে পারবেন।
৪) ব্যাংক ওয়্যার: যাদের কোন ভিসা বা মাস্টারকার্ড নেই তারা এই পদ্ধতিতে দেশের ব্যাংকে সরাসরি টাকা আনতে পারবেন। এটি সাইটের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পদ্ধতি। এক্ষেত্রে খরচ পড়বে ১৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ৪০ ডলার হলে এই পদ্ধতিতে টাকা উঠানো যাবে। ব্যাংক ওয়্যারের মাধ্যমে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা আসতে প্রায় এক সপ্তাহের মত সময় লাগবে। ব্যাংক ওয়্যারের জন্য প্রথমে সাইটে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নাম্বার, ব্যাংক কোড, ব্রাঞ্চ কোড এবং SWIFT CODE যোগ করতে হবে, যা আপনার ব্যাংকে যোগাযোগ করে তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারেন।
এখন দেখুন কিভাবে এলার্টপে একাউন্টে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ করবেন
১. এলার্টপে একাউন্ট এ লগিন করে Overview ক্লিক করুন, তারপর “Add a bank account” ক্লিক করুন। নিম্নরুপ একটি উইন্ডো আসবে।

ক। আপনি পূর্বে যে সকল তথ্য দ্বারা পেজা একাউন্ট ওপেন করেছিলেন, তার সকল তথ্যাদি এখানে দেখা যাবে। পেজা বর্তমানে বাংলাদেশের সকল ব্যাংক একাউন্ট সাপোর্ট করছে। তাই আপনি যে নামে ব্যাংক একাউন্ট ওপেন করেছেন, সেখানে Bank Name এ- সেই নামটি সিলেক্ট করুন। এখানে ব্যাংকের ব্যাংক এরিয়া, শহরে অবস্থান, সুইফ  কোড ইত্যাদি দিতে হবে। এইগুলো দিতে হলে/জানতে হলে অআপনি যে ব্যাংক শাখাতে একাউন্ট করেছেন, সেখানে ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে জেনে নিবেন।
খ। পরিশেষে ডকুমেন্ট প্রমাণপত্র হিসাবে আপনাকে মুলকপি থেকে একটি স্ক্যান ফাইল পেজার’ নিকট প্রেরন করতে হবে। এখানে National ID, Country ID, Drivers License খেকে যে কোনটি বেছে নিন।
(এখানে সঠিক তথ্য দিতে হবে। কোন রকম ভূয়া/জাল তথ্য দিলে কিন্তু আপনার পেজা একাউন্ট ব্যাণ করে দেয়া হবে। এখানে ভেরিফিকেশন করতে ৩/৪ দিনের মত সময় লাগে।ভেরিফিকেশন সঠিক হলে আপনাকে মেইলে জানিয়ে দেয়া হবে)
এইভাবে সঠিক ফিল্ডে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয় ইনফর্মেশন গুলো ফিল আপ করে  এলার্টপে/পেজা একাউন্ট এ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট টি Add করুন। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সঠিকভাবে Add হলেই পেজা একাউন্ট হতে সহজেই অর্থ ব্যাংক একাউন্টে প্রেরন করতে পারবেন।
এই অ্যালার্ট পে অ্যাকাউন্ট আপনার অনলাইন ব্যাংক হিসাবে কাজ করবে এবং নেটে আয়ের সাইট গুলো আপনাকে আপনার অ্যালার্ট পে অ্যাকাউন্ট এ পেমেন্ট করবে, তারপর আপনি সেই পেমেন্ট আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বা চেকে অথবা Visa বা Master ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডে কিছু চার্জের বিনিময়ে টাকা তুলতে পারবেন।
ক্রেডিট কার্ড কিভাবে যোগ করবেন?
ক্রেডিট কার্ড যোগ করতে হলে ব্যাংক একাউন্টের মতই ক্রেডিট কার্ড অপশনে গিয়ে ক্লিক করুন। নিম্নরুপ উইন্ডো আসবে-
এখানে আপনার ক্রেডিটকার্ডটি অবশ্যই Master/VISA কার্ড হতে হবে। নরমাল কার্ড হলে এর আওতাভূক্ত হবেন না। এখানে ক্রেডিটকার্ড এর নম্বর, মেয়াদ/তাং ইত্যাদি তথ্য দ্বারা পূরণ করতে হবে। কার্ডটি সফল ভাবে সংযুক্ত হলে যে কোন ব্যাংকের এটিএম বুথ হতে অর্খ উঠাতে পারবেন। তবে এই প্রসেসে ব্যাংক চার্জ বেশী দেয়া লাগে।
কিভাবে অর্থ উত্তলোন করবেন?
অর্থ উত্তলোন করার জন্য পেজা একাউন্টে আপনার ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত থাকতে হবে। ইহা পূর্বেই অালোচনা করেছি। যদি পেজা একাউন্ট থেকে অর্থ উত্তলোন করতেই হয় তাহলে লগইন করুন। অতপর মূল টাস্কপ্যানে যান। সেখান হতেই অর্থ উত্তলোন এবং কাউকে প্রেরন করতে পারবেন। বিষয়টি নিম্নরুপ-
এখান হতে With Draw Funds এ- ক্লিক করলেই হবে। যাবতীয় তথ্যাদি যেমন- কত ডলার ট্রান্সপার করবেন, কিভাবে উত্তলোন করবেন তাহা পূরন করে দিলেই। অতপর ৩/৪ দিনের মধ্য আপনার ব্যাংক একাউন্টে অর্থ যোগ হয়ে যাবে।
কাউকে যদি অর্খ ট্রান্সপার করতে চান তাহলে-
Send Funds অপশনে ক্লিক করতে হবে। নিম্নরুপ চিত্র আসবে-
এখানে যাবতীয় তথ্যাদি যেমন- কাকে প্রেরন করতে চান, কত পেমেন্ট দিতে চান, কারেন্সীর মান কোনটি ইত্যাদি তথ্য পূরন করলেই হবে।
(Note- এখানে বাংলাদেশী টু বাংলাদেশীদের কাছে অর্থ প্রেরন করতে পারবেন। আপাতত দেশের বাহিরে ট্রান্সপার করতে পারবেন না। কারন, দেশে যাতে মানি লন্ডারিং তথা দেশের বাহিরে অর্থ পাচার না হয়। সেই লক্ষ্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক এই অপশনটি বন্ধ রাথতে পেজা কর্তৃপক্ষের সাথে চুক্তি করা অআছে। তাই পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত হতে Payza একাউন্টে অর্থ অআনতে পারবেন, কিন্তু দেশের বাহিরে ট্রান্সপার করতে পারেন না। )
টাকা উর্পাজন করুন Payza এর মাধ্যমে
আপনি খুব সহজেই Alert pay/Payza এর মাধ্যমে টাকা উর্পাজন করতে পারি।
Payza হল টাকা আদান প্রদানের একটি মাধ্যম ,যার মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা যায়। প্রতিটি Referrals একাউন্ট এর জন্য আপনাকে দেওয়া হবে ১০ ডলার । আপনি তিনটি উপায়ে Alert pay Account থেকে টাকা আয় করতে পারেন-
আপনার Referrals link পেতে Earn Money এর উপর ক্লিক করুন।
তারপর Referrals এর উপর ক্লিক করুন
আপনার এই Referrals link টি copy কোরে সবার সাথে share করুন

আপনার এই Referrals link মাধ্যমে কেউ একাউন্ট করলে আপনি পাবেন ১০ ডলার ।
Referrals একাউন্ট এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে হলে আপনাকে কিছু শর্তপূরন করতে হবে-
Referrals must open an Alert Pay Personal Pro or Business account.
Referrals must transact $250.00 (sending and/or receiving).
After your 10th referral, we will pay you $10.00 USD a referral.
Self-referrals, or referrals from the same IP address, will not be paid out.
আজ সম্পূর্ণভাবেই এখানে  শেষ করছি Payza একাউন্টের আলোচনার বিষয়বস্তু। আশা করি আমাদের লেখা ২টি পর্ব সম্পূর্ণ পড়লে অসুবিধা থাকার কথা নই। এখানে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি বিস্তারিতভাবে প্রতিবেদনটি তৈরি করার, যাতে সকলের পড়তে ও বুঝতে সুবিধা হই। তবুও কেউ ভূলের উর্দ্ধে নই। এই পোষ্টটি বিষয়বস্তু অলংকরন করতে ও সাজাতে আমাদেরকে প্রায় ৪ দিন সময় ব্যয় করতে হয়েছে। এই পোষ্টটি পড়ে কেউ যদি উপকৃত হন তাহলেই মনে করব আমাদের এই লেখার শ্রম ও কৌশল স্বার্থক হয়েছে। অসুবিধা বা প্রশ্ন থাকলে তা কমেন্ট করে জানাবেন। উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। এর পরেও যদি Payza একাউন্ট সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য পাই তাহলে পরবর্তীতে আপডেটেড পোস্ট হিসাবে পাবলিশ করার ইচ্ছা থাকল। পরিশেষে সবার দীর্ঘায়ূ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। -আল্লাহ হাফেয-

 
N.B- : PLEASE  DO NOT COPY MY ANY COLLECTION & AND DO NOT SHARE IT OF OTHER PERSONS  ™ AMD
——————————————————————————-
EDITED BY-
AMD-POLLOB-JUI-MORIOM
CFBT, RU-6100

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৫

Alertpay/Payza Account ওপেন করে টাকা ইনকাম করুন ও ব্যবহারের কলা-কৌশল আলোচনা (পর্ব-০১)

বিসমিল্লাহির রাহমাণীর রাহীম

সবাইকে সালাম জানিয়ে শুরু করছি আজকের দিনের প্রথম ও শেষ পোষ্ট। আজকের দিনের প্রথম পোষ্টটি কোন সফটওয়্যার বা ইনকাম সাইট রিভিউ নিয়ে লেখা নয়। অনলাইনে আমরা অনেকেই ইনকাম করি এই ইনকামের অর্থ বিভিন্ন কার্ড বা একাউন্টের সাহায্য যেমন- এলার্টপে, পেপাল, মানিবুকার্স ইত্যাদির মাধ্যমে নিজের পকেটে আনা যায়। কিন্তু সমস্যা হল -অনেকেই ঠিক করে বুঝতে পারছেন এখানে কি ভাবে একাউন্ট ওপেন করতে হয়, কি সুবিধা-অসুবিধা আছে, দরকারী কোন পরামর্শ অআছে কিনা ইত্যাদি। এই সাইটে ইতিপূর্বে হয়ত অনেক ব্লগার ভাই এই বিষয়ে পোষ্ট করেছেন। আপনারা সেইগুলো পড়ে অনেকটা ইতিবাচক ধারনা পেয়েছেন বলে মনে করছি। যাইহোক আবার অনেকেই আছেন- যাদের মনে এখনো সচিত্র প্রতিবেদন ও এর ব্যবহার জানার জন্য মনে উসখুস করছে। তাই আজকের তাদের জন্য এই পোষ্ট কাষ্টমাইজ হিসাবে প্রকাশ করছি। আশা করি অনেকের উপকারে আসবে।




ইনকামের টাকা/অর্থ পাবার অনেকগুলো মাধ্যম আছে- যে গুলো পূর্বেই উল্লেখ করেছি। এর মধ্য বর্তমানে বাংলাদেশী তথা আপনাদের উপকার স্বার্থে ও সুবিধার প্রেক্ষিতে আজকে এলার্ট পে নিয়ে আলোচনা করব। ইতিপূর্বে পিসি হেল্প লাইনে বিভিন্ন পোষ্টের কমেন্টে অনেক ভাই/বন্ধুরা অনুরোধ করেছিলেন- কি ভাবে এলার্টপে একাউন্ট পেতে পারি বা ওপেন করতে পারি। আজকে তারা এই সুযোগটি গ্রহন করতে ভূলবেন না।
তবে এই পোষ্টটি বিস্তারিত আলোচনার পূর্বে আপনাদের কাছে অনুরোধ রাখব- আপনারা কাজ শুরু করবার পূর্বে প্রথমত আমার এই পোষ্টটি একবার ভাল করে পড়ে নিন। কোথায় কি সমস্যা বা দরকারী পরামর্শ আছে তা নোট করে নিন- । তারপর কাজের নির্দেশনা শুরু করুন। অবশ্য কাজের সুবিধার জন্য আমার এই পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিয়ে এটি অনুসরন করে এলার্টপের কাজ শুরু করতে পারবেন। আশা করি তাতে বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।
এলার্টপে সম্পর্কে একটি ঘোষনা!
সম্মানীত ভিজিটর অআপনারা হয়ত অনেকেই অবগত হয়েছেন যে, গত মাস হতে এলার্টপে তার নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম হিসাবে পেজা দিয়েছে। মূলকথা এখন Alert pay এর বদলে Payza হিসাবে কাজ করবে। সুতরাং যারা নতুন ভিজিটর তাদের দু:চিন্তার করার কোন কারন নাই। কেননা প্রায় পূর্বের সকল এন্টারফেস ঠিক রেখে শুধু নাম পরিবর্তন করে Alert pay এর বদলে Payza রাখা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের আইটি বিশেষ্জ্ঘ গণ মনে করছেন বর্তমানে বিশ্বে ১ম স্থান অর্জনকারী ও জনপ্রিয় অনলাইন পেমেন্ট প্রতিষ্ঠান পেপালকে ব্যবসায়িক টেক্কা দেবার জন্যই সম্ভাবত সাবেক Alert pay কর্তৃপক্ষ এই কারসাজি করেছে।
পূর্বে যারা এলার্টপে একাউন্ট ওপেন করেছিলেন তখন নিম্নরুপ পেজ শো করত-
বর্তমানে পেজা নাম হিসাবে নিম্নরুপ স্কীন পাবেন-
 
এলার্ট পে একাউন্ট
প্রথমত জানা যাক- এলার্টপে/পেজা কি?
এলার্ট পে/Payza একটি পেপালের মতই ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের সহজ ও জনপ্রিয় পদ্ধতি। মুলত যারা নেটের বিভিন্ন সাইটে ইনকাম করেন তারা তাদের অর্থ গ্রহনের জনন্য, পাবার জন্য এলার্ট পে ব্যবহার করেন। এলার্টপের সদর দপ্তর বাড়ী কানাডাতে।অর্থাৎ এটি একটি কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান।২০০৪ সালে মাত্র ৬ জন কর্মচারী নিয়ে এলার্ট পে যাত্রা শুরু করে। এখন এটি বর্তমানে প্রায় ২৫০ জনের অধিক কর্মচারী ও ১ কোটির বেশী গ্রাহক নিয়ে একটি বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ১০,০০০ নতুন ব্যবহারকারী এলার্ট পে সাইটে রেজি করছে।বিশ্বের প্রায় ২০০ টি দেশে এর সার্ভিস চালু রয়েছে। এখানে প্রায় ২৫ টি মুদ্রায় অর্থ লেনদেন করা যাবে।তাছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের ৫২ টি দেশে জোনাল ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করে থাকেন।
ছবি- কারেন্সীর (মুদ্রা)
 
বাংলাদেশকে এলার্ট পে কতটুকু সাপোর্ট করে?
বর্তমানে বাংলাদেশকে ইন্টারনেট লেনদেনের সাপোর্ট হিসাবে এলার্ট পে গ্রহন করেছে। এখন বাংলাদেশী যে কোন ইউজারই এলার্ট পে/থেকে টাকা গ্রহন বা লেনদেন করতে পারবেন। অনলাইনে কাজ করেন অথচ এলার্ট পে কিংবা পেপাল এর নাম জানে না কিংবা শুনে নি এমন মানুষ খুজে পাত্তয়া দায় না। নানা বিধ কারণে অনলাইনে পেমেন্ট পেতে ফ্রিল্যান্সারদের ভোগান্তির মধ্যে থাকতে হয়েছে। কেননা বাংলাদেশে এই দুটি জনপ্রিয় অনলাইন অর্থ লেনদেনের মাধ্যম আপাতত দৃষ্টিতে বন্ধ। বহু আলোচনা সমালোচনা আবেদন নিবেদনের পর আগামী সেপ্টেম্বর মাসের দিকে বাংলাদেশে পেপাল আসার কথা রয়েছে। তারই আগে বাংলাদেশে এলার্ট পে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ করা শুরু করে দিয়েছে 23/02/2012 তারিখ হতে। বেসিস সফটএক্সপো ২০১২ প্রথম দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে এলার্টপে।  এবিষয়ে ইউটিউবে একটি ভিডিত্ত পোস্ট করা হয়েছে এলার্ট পে বিজনেস ম্যানেজার  ক্রিস টিসদল  বার্তা দিয়ে।
ভিডিও টি দেখুন- http://www.youtube.com/watch?v=VT27DbgVvrg
অবশ্য এ নিয়ে বাংলাদেশী একটি প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে। BASIS Soft Expo 2012, Booth No. M4. এ আজ এর সিস্টেম এডমিন তানভীর আহমেদের সাথে কথা বলা হলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন এভাবে ” বাংলাদেশে অনেকেই আছেন যারা তাদের এলার্ট পে ডলার নিয়ে আসতে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। আমরা বিদেশ থেকে কাজ করে উপার্জিত টাকা সরাসরি  ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এ জমা করার জন্য সাহায্য সহযোগিতা করতে চাই অত্যন্ত স্বল্প খরচে।” ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করার জন্য মাত্র ২৪০ টাকা খরচ হবে প্রতিবারে। আর এলার্ট পে পিপেইড ডেবিট কার্ডে জমা করার জন্য মাত্র ১ ডলার খরচ হবে এবং এলার্ট পে একাউন্ট এ টাকা জমা করতে ২.৫% + ০.২৫ ডলার ব্যয় হবে প্রতিবারে।  এখন এলার্ট পে  www.alertpay.com/bangladesh  বাংলাদেশের নাম সারা বিশ্বে অনলাইন জগতে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছে। এ নিয়ে সকলেই ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপে উচ্ছাস প্রকাশ করে নানা মন্তব্য করছেন। এলার্ট পের পরে পেপালের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশে এলার্ট পে কার্যক্রম পরিচালনা করতে যাচ্ছে Casada Technology Bangladesh Ltd.
BASIS Soft Expo 2012, Booth No. M4 এর কিছু ছবি Chris Tisdall. এর সঙ্গে-
কি ভাবে একাউন্ট তৈরি করবেন?
এলার্টপে/Payza সাইটে তিন ধরনের একাউন্ট তৈরির সুযোগ দিয়ে থাকে তথা-
1.  Personal Starter
  1. 2.     Personal Pro
  2. 3.     Business
এর মধ্য যে কোন একটিতে বিনামূল্য রেজিঃ করা যায় এবং পরবর্তীতে যে কোন সময়ে একাউন্ট পরিবর্তন বা আপগ্রেড করা যায়।তিনটি একাউনটের সাহায্য নিরাপদে কেনাকাটা করা ও বিনামূল্য অন্য ব্যবহারকারীকে টাকা পাঠানো যায়। অবশ্য এর বাইরে তিনটি একাউন্টের আলাদা সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে যেমন-
১. Personal Starter - এই ধরনের একাউনটের একমাত্র সুবিধা হচ্ছে অন্য এলার্টপে ব্যবহারকারী থেকে টাকা দিতে/নিতে কোন ফী লাগেনা। তবে এখানে কোন ক্রমেই ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা পাওয়া যাবে না। এবং মাসে ৪০০ ডলারের বেশী অর্থ গ্রহন করা যাবে না এবং সব পেমেন্টসহ ২০০০ ডলারের বেশী অর্থ গ্রহন করা যাবে না।
২. Personal Pro-
যারা ফ্রিল্যান্স বা অন্য সাইটে কাজ করেন তারা এখানে সকল ধরনের সুবিধা পাবেন। এথানে টাকা গ্রহন বা প্রেরনের কোন সীমাব্ধতা নাই। তবে এখানে অন্য এলার্ট পে ইউজার থেকে টাকা গ্রহন করলে ২.৫% + ০.২৫% ডলার ফী দিতে হয়। এর আরেকটি সুবিধা হল- ব্যবহারকারীর নিজের কোন ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকলে এলার্ট পে যুক্ত করে কোন পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন ও গ্রাহকদের কাছ থেকে সহজেই টাকা গ্রহন করতে পারবেন।
3. Business-
এই একাউন্টির সাহায্য আপনার নিজস্ব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে অনলাইনে অর্থ লেনদেন করতে পারবেন। এখানে একটি একাউন্টির সাহায্য একাধিক ব্যবসায় পরিচালনা করা যায়। এবং অন্য সকল সুবিধা ও সার্ভিস চার্জ Personal Pro একাউন্টের মতই।
আপনাদের সুবিধার জন্য এখানে নিম্নরুপ একটি চিত্র প্রদর্শন করছি।এখানে যাবতীয় সুবিধা, সার্ভিস চার্জ ও ফী এর তালিকা দেয়া আছে (শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য) অথবা এই লিংকে ক্লিক করুন-

আপনি কোন একাউন্টটি ওপেন করবেন?
এখন আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিন কোন একাউন্ট টি গ্রহন করবেন উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে। তবে আমার পরামর্শ হল-
১। আপনি প্রথমত রেজিষ্ট্রেশনের সময় Personal Pro একাউন্টটি গ্রহন করুন। এখানের সুবিধা হল- এলার্টপে একাউন্টের রেফারেলের মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এলার্টপের মাধ্যমে কিভাবে আয় করা যায় তা আমার এই পোষ্টের পরবর্তী অংশটুকু পড়ুন।
একটি কথা মনে রাখুন- প্রথমভাবে একবার Personal Starter ফ্রি একাউন্ট ওপেন করলে কাউকে রেফারেল দিয়ে সহজে আয় করতে পারবেন না।
তাহলে এবার কাজ শুরু করা যাক-
এলার্টপের মাধ্যমে ইনকাম
কাজ শুরু করবার পূর্বে একটি কথা! অআপনারা হয়ত অনেকে শুনে আশ্চর্য হবেন যে, এলার্ট পে একাউন্ট করার পাশাপাশি অর্থ ইনকামও করা যায়। অর্থা এলার্টপে একাউন্ট আমাদের পকেটে অর্থ গ্রহন করবার সুযোগ করে দিচ্ছে আবার ইনকামের পথ ও বাতলে দিচ্ছে। কি মজাটাই না!! এক ঢিলে ২ পাখি মারা।
এই সুযোগটি সবাই ইচ্ছামতো কাজে লাগাতে পারবেন না।-কিছু নিয়ম নীতির ব্যাপার আছে- এখন আমি আপনাদেরকে সেটি বলব।
এটি করতে হলে যিনি এলার্টপের বৈধ গ্রাহক তার রেফারেল দিয়ে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।অর্থাৎ এলার্টপেতে ঐ গ্রাহককে একাউন্টের মেয়াদ প্রায় ৩ মাসের বেশী হতে হবে।এবং মিনিমাম হলেও একবার অর্থ উত্তলোন করেছেন এমন হতে হবে। তারপর আপনি ঐ রেফারেলে গ্রাহক হলে পরবর্তী আপনার বন্ধু বা পরিচিতদের আপনার রেফারেল দিয়ে কিছুটা ইনকাম করতে পারবেন। এখানে রেফারেল হিসাবে-প্রায় ০.১২ ডলার হিসাবে পাওয়া যায়।
একাউন্ট ওপেন করবার পূর্বে কিছু পরামর্শ-
একাউন্ট ওপেন করবার পূর্ব কিছু নিয়ম নীতি আছে। সেই গুলো একটু নোট করে নিন-
যেমন- ১। একাউন্টে আপনার যে নাম দিবেন তা ঠিক করে নিন।এখানে পক্সি হিসাবে কারোর নাম দিবেন না। বা ভূয়া একাউন্ট ওপেন করতে যাবেন না।কারন এটা কোন ভাওতাবাজী সাইট নয়। প্রতিটি কাজের এখানে ভেরিফিকেশন করা হয়। তাই সাবধান!
২। বিশেষ করে যাদের বয়স ১৮ বছর হয়েছেন বা ভোটার হিসাবে অন্তভূক্ত হয়েছেন তারাই এই একাউন্ট ওপেন করার উপযুক্ত। এখানে যে নাম দিবেন তা ভোটার অআইডি অনুসারে দিতে হবে। মিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এখানে মুল ব্যাপার নয়। বিশেষ করে এলার্ট পেতে যখন টাকা উঠাতে যাবেন সেখানে ব্যাংক একাউন্ট ও এলার্টপে একাউন্টে কিন্তু একই নাম হতে হবে। সঠিক না হলে কোনভাবেই অর্থ উত্তলোন করতে পারবেন না। অবশ্য এখানেও ভেরিফিকেশনের ব্যাপার আছে। যারা ব্যাংকে এর মাধ্যমে টাকা উঠাতে যাবেন বিশেষ করে চেক নিয়ে সেখানে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অআপনার ভোটার অআই.ডি চাইবেন।
৩। আমি নিজেও অবশ্য এমন অসুবিধার সম্মুখে পড়েছিলাম। আমি একটি সাইটে ইনকাম এর কাজ করতাম। সেখানের একাউন্টে আমার নাম সনদপত্রনুসারে লিখেছিলাম। যথন ব্যাংকে গেলাম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমাকে টাকা প্রেরন করলেন না। বললেন, আপনার ভোটার আই.ডি কার্ড সংশোধন করে নিয়ে আসুন। মূল ব্যাপরা হল- আমার ভোটার আইডি ও সার্টিফিকেটে নাম একই রকম ছিল। কিন্তু সেখানে নামের অক্ষরের হেরফের ছিল বলে এই সমস্যা হয়েছিল। পরবর্তীতে কষ্ট করে আমাকে পূনরায় একাউন্ট করতে হয়েছিল।
৪। মুলত এমন কিছু সাইট আসে যেখানে কোনভাবেই নিজের নাম ও মেইল ঠিকানা পরিবর্তন করা যায়না। যেমন- এলার্ট পে, পেপাল।তাই এখানে সঠিকভাবে কাজটি করতে হয়।
৫। এলার্ট পে একাউন্ট করতে নতুন করে একটি মেইল একাউন্ট ওপেন করে নিয়ে কাজটি করলে ভাল হয়। আর এই মেইল একাউন্টির প্রমান হল আপনিই এলার্টপে একাউন্টের মালিক ও আপনিই অর্থ পাবেন। অবশ্য যাদের পূর্বে মেইল একাউন্ট আছে সেটি থেকে করলেও সমস্যা নাই।
৬। প্রথমত এলার্ট পে একাউন্টে রেজি এর সময় নাম, সেইল ঠিকানা সঠিক করে দিবেন। কেননা, ভূল হলে পরবর্তীতে কোনভাবেই পরিবর্তন করা যাবে না।অন্য ঠিকানা বা তথ্য গুলো পরিবর্তন করা যাবে।
৭। রেজি এর ২য় পর্যায়ে একটি পিন নম্বর দিতে বলবে। এখানে আপনার পচ্ছন্দনীয় ৬/৮ সংখ্যার পিন নং দিন। এখানে আপনি আপনার পরীক্ষার রেজি বা রোল নং হিসাবে দিতে পারেন। আমি কিন্তু আমার বিশ্বৰ রোল নং ব্যবহার করেছি যাতে মনে থাকে। তাছাড়া পিন নম্বরটি লেখা রাখা ভাল। আপনি যদি পিন নম্বর ভুলে যান তাহলে কোনভাবেই নতুন পিন নিতে বা পরিবর্তন করতে পারবেন না। আবার এলার্ট পে থেকে কোন সমাধান পাবেন না। তাই এখানে বিফলে গেলে আরেকটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে।
৮। রেজিঃ শেষ পর্যায়ে ক্যাপচা কোড পরিবর্তন করতে হয় এটি অনেক ঝামেলার কাজ। ক্যাপচা সঠিক পূরন না হলে একাউন্ট তৈরি হবে না। আসলে এলার্টপেতে ক্যাপচা বুঝতে অনেক অসুবিধা সৃষ্টি করে। এখানে পরামর্শ হল- আপনি যে ক্যাপচাটি বুঝতে পারছেন সেটি দিবেন না। ঐ ক্যাপচা পরিবর্তন করে অন্য ক্যাপচা দিয়ে কোড পূরন করুন যেটি বুঝতে পেরেছেন।
অনেক আলোচনা হল- তাহলে এবার মুল কাজ শুরু করা যাক-
১| যারা একাউন্ট তৈরি করতে আগ্রহী তারা আমার প্রেরিত নিচের লিংকে ক্লিক করুন-

https://secure.payza.com/?Su4zAWwxojQVOWe2Lzjtxg%3d%3d

রেজিঃ এর জন্য নিম্নরুপ এন্টারফেস আসবে-এটি রেজিষ্ট্রেশনের প্রথমধাপ-
 
যে একাউন্টি ওপেন করতে চান সেটিতে ক্লিক করুন ডান পাশে সবুজ চিহৃ দেখাবেঅতপর l
Next এ-ক্লিক করুন। রেজিঃ এর জন্য নতুন আরেকটি উইন্ডো আসবে-
৩। এখানে আপনার যাবতীয় তথ্য লিখতে হবে যেমন-
১. Sollution- এখানে MR. or, Mrs যে কোন একটি সিলেক্ট করুন
২. নামের ক্ষেত্রে ১ম ও শেষ অংশ নিদিষ্ট ঘরে লিখুন। যেমন- কারো নাম যদি হয় AMD Abdullah Bin Islam তাহল প্রথম অংশে AMD Abdullah ও Bin Islam শেষ আংশে লিখতে হবে।
৩. Region- এখানে অঞ্চল উল্লেখ করতে হবে। এখানে আপনি ASIA দিন বা অন্য কিছু দিতে পারেন।
4. Postal Code- নিজ এরিয়ার পোষ্টাল কোড দিন যেমন-৬১০০
5. Home Phone- এখানে আপনার বর্তমানে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি দিন। মনে রাখবেন পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট Verification করতে হলে এই নম্বরটি সচল থাকতে হবে।
6. Occupation- এখানে Student হিসাবে সিলেক্ট করুন
7. Date of Birth- এখানে আপনার জন্মতারিখের তথ্যগুলি দিন। যেমন- ১০/১০/১৯৯০
(উল্লেখ্য- এখানে আপনার নাম ও মেইল ঠিকানা বাদে পরবর্তীতে একাউন্ট প্রোফাইল থেকে সবকিছুই আপডেট করতে পারবেন।)
৪। সবকিছু পূরন করে Next এ-ক্লিক করুন। অতপর রেজি ২য় ধাপের উইন্ডো আসবে-
এখানে-
Email Address-     আপনার মেইল ঠিকানা দিন।
Pasword & Re enter password-  পাস ওয়ার্ড দিন। এখানে কিন্তু মেইল একাউন্টের পাসওয়ার্ড নয়।নতুন পাসওয়ার্ড দিতে হবে। রি-টাইপে একই পাসওয়ার্ড দিতে হবে।
Transaction PIN- নিদিষ্ট কোন সংখ্যার নম্বর দিন। যেমন- ৯০৭৬২০
Re enter Transaction PIN- একই নম্বর দিতে হবে।
Password recovery- এই অপশন থেকে একটি প্রশ্ন সিলেক্ট করুন ।
Answer- এখানে তার উত্তর লিখুন
Third party Information- Yes/NO। ।এখানে NO সিলেক্ট করে রাখাই ভাল। আমি একাউন্ট ওপেন করার সময় NO সিলেক্ট করেছিলাম।
Word verification- এখানে সঠিকভাবে ক্যাপচা পূরন করতে হবে।
পরিশেষে You acknowledge that You have read ……… Alert pays তে টিক মার্ক দিন
৫। Final Step – এ ক্লিক করুন।
৬। এখানে আপনি যে মেইল ঠিকানা দ্বারা রেজিঃ করেছেন সেখানে মেইল verification হিসাবে একটি ম্যাসেজ যাবে। এখানে আপনার এলার্ট পে একাউন্ট Active করার লিংক থাকবে। ঐ লিংকে ক্লিক করলে Alert pay এর পেজ ওপেন হবে এবং আপনাকে পাসওয়ার্ড দিতে বলবে। অতপর আপনি পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনার এলার্টপে একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবেন। মেইল verification সঠিক হলে একটি Thank You/Welcome হিসাবে ম্যাসেজ প্রদর্শিত হবে।

ব্যাস! আপনার এলার্ট পে একাউন্ট তৈরি করার কাজ সম্পূর্ণ শেষ। এখন আর কোন চিন্তা নাই! নিশ্চিন্তভাবে আপনার এই একাউন্ট দ্বারা অর্থ লেনদেনের হাতিয়ার হিসাবে কাজ করাতে পারবেন। এবার অআপনার পেজা একাউন্টে ইমেইল আইডি ও পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন। নিম্নরুপ এন্টারফেস আসবে-
Note-
সব সময় মনে রাখবেন আপনার যে ইমেইলটি দিয়ে এলার্টপেতে সাইন করেছেন ঐ ইমেইল একাউন্টটি পুরোটাই আপনার এলার্টপে এড্রেস।
-         আপনার এই একাউন্ট কিন্তু কোন সময় নষ্ট হবে না। অর্থাৎ কিছু সাইট থাকে যেখানে প্রতি ২ মাস অন্তর সেখানে প্রবেশ না করলে একাউন্ট ডিলেট হয়ে যায়। এলার্টপে কিন্তু এই সকল সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।
-         কিন্তু এলার্টপেতে যদি কোন এমাউন্ট নিয়ে আসেন তাহলে তা প্রতি ১৮ মাসের মধ্য কার্ড বা চেক দ্বারা অবশ্যই উত্তলোন করতে হবে। যদি না করেন-তাহলে ১৮ মাসের পর থেকে প্রতিদিন নিদিষ্ট হারে আপনার একাউন্ট থেকে এলার্ট পে কর্তৃপক্ষ চার্জ কেটে নিবেন।
জরুরী বিষয়-
আজ এই পর্যন্ত রেখে এলার্টপের আলোচনা শেষ করতে হচ্ছে।অনেকে  হয়ত প্রশ্ন করবেন, তাহলে বাকি অংশের কি হবে? এর প্রতিউত্তরে বলব, ইন্টারনেটের যে গতি বিশেষ করে গ্রামীন ফোন সংযোগের যেন কচ্ছপ গতি। এই পোষ্টটি সাজাতে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হয়েছে। তাছাড়া আমাদের বন্ধুদের এই লেখাটি এডিট ও উপস্থাপনা করতে প্রায় ০৪ দিন সময় লেগেছে। অবশ্য মনে করেছিলাম এলার্টপে সম্পর্কে পোস্টটি আজকেই শেষ করব, কিন্তু সময়ের অভাবে না পারার জন্য দূ:খিত। তাই উক্ত অসুবিধার কথা বিবেচনা করে এখানেই থামতে হল। আশা করি আগামী কালকের পর্বে বাকি অংশ শেষ করতে পারব (ইনশা-আল্লাহ)
যাইহোক এলার্ট পে সম্পর্কে অনেক কথা লিখা হল। এখন আপনাদের এই পোষ্টটি কতটুকু উপকারে আসবে তা সঠিকভাবে বলতে পারব না। তবে যদি কোনো ভাই বা বন্ধুর উপকারে আসে তাহলে আমার এই লেখার পরিশ্রম স্বার্থক হয়েছে বলে মনে করব। তাছাড়া এই পোষ্টটি করতে বহু বাণানের ভূল থাকতে পারে কিংবা উস্থাপনাতে অনাকাংখিত ভূল থাকলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহবাণ রাখছি। আমার এই পোষ্টটি করতে অনেক বন্ধুরাই অর্থাৎ আমাদের ব্লগটিমের সদস্যরা সহযোগীতা করেছেন- তাদের মধ্য মরিয়ম, সুমন, আসলাম, বুলবুল সহ অনেকেই সাহায্য করেছে ও অনুপ্রেরনা দিয়েছে। তাদের সকলকে অশেষ ধন্যবাদ। এখানে এই পোষ্টটি আমাদের মতামতনুসারে লিখেছি এবং কিছু মাসিক পত্রিকার রেফারেল নিয়েছি তথা- কম্পিউটার জগতের জনপ্রিয় আইটি লেখক- জনাব, মো জাকারিয়া চৌধুরী সাহেবের লেখা হতে। আমরা সবাই তার নিকট কৃতজ্ঞ।
সম্মানীত ভিজিটরগণ অত্যন্ত দু:খের সাথে বলতে হচ্ছে- বর্তমান সময়ে আমাদের প্রিয় প্রযুক্তি প্লাটফর্ম পিসি হেল্পলাইন থেকে অনেক নামী লেখকের লেখা হুবহু নকল করে বিভিন্ন ব্লগ সাইটে পাবলিশ করা হচ্ছে নিজের নাম দিয়ে। এই ধরনের চুরী করা পোস্ট যা অনেকটা ব্লগ বিরোধী এবং অনৈতিক কাজও বটে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে দেখছি পিসি হেল্প লাইন সাইটে আমার/আমাদের লিখিত প্রকাশিত ২/৩ টি লেখা হুবহু নকল করে অন্য সাইটে পাবলিশ করা হয়েছে।

২।  সেই প্রেক্ষিতে আমরা পিসি হেল্প লাইন সাইটে ০৩/০৬/১২ ইং তারিখে একটি পোস্ট করেছিলাম। শিরোনাম ছিল-
হার্ডডিস্ক নিয়ে টেনশনের দিন শেষ! এবার নিজেই ম্যাকানিক হোন ও সহজেই ব্যাড সেক্টর দূর করুন !!
আমাদের পিসি হেল্প লাইনে প্রকাশিত মূললিংক-
অথচ আমাদের এই লেখাটি নকল করে বিভিন্ন ব্লগ সাইটে পাবলিশ করা হয়। আমরা সেখানে ঐ সকল ব্লগ সাইটের মধ্য একটি সাইটের অ্যাডমিনকে অবহিত করলে তারা ঐ নকল পোস্ট গুলো সাইট থেকে সড়িয়ে দেন। যারা আমাদের মূল লেখার সাথে নকল লেখার আলোচনা Compare করতে চান তারা দয়া করে  আমার এই পোষ্টের শেষে মন্তব্য ঘরে গিয়ে দেথতে পারবেন। সেখানে লিংক দিয়ে দিয়েছি। এখানে ব্লগ বিরোধী কাজ হবে বলে পোস্টের মধ্য সরাসরি লিংক দিতে পারলাম না।
সম্মানীত ভিজিটরগণ এতক্ষণ ধরে বেশী কথা বলে ফেলেছি এবং তাছাড়া হয়ত অনেকেই আমার এই লেখাটুকু কষ্ট করে পড়ার জন্য বেশ কিছু সময় অতিবাহিত করেছেন। সেই জন্য মাফ চাচ্ছি। আসলে আমার কাছে শর্টকার্টে পোস্ট করতে ভাল লাগেনা, সব সময়ই একটু বিস্তারিত আলোচনা করাটাই বেশী পচ্ছন্দ করি।
————————————————————-
আজ এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকুন, আগামী কালের প্রত্যাশাতে-। পিসি হেল্প লাইনের সাথেই থাকুন।
-এএমডি-মরিয়ম-আসলাম-বুলবুল-সুমন
CAMPUS FRIENDS BLOGGER TEAM (CFBT)
 
N.B- : PLEASE  DO NOT COPY MY ANY COLLECTION & AND DO NOT SHARE IT OF OTHER PERSONS  ™ AMD

শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০১৫

আসুন Freelance.com সাইট নিয়ে কিছু গল্প শুনি ও সেই সাথে জেনে নিই আউট সোর্সিং বিষয়ের নানাবিধ প্রতিবেদন!!

বিসমিল্লাহির রাহমাণীর রাহীম
السلام عليكم আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সবাই এক প্রকার কুশলেই আছেন।


বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞাণ প্রযুক্তির অআর্শীবাদে সমগ্র বিশ্বের ন্যায় আমাদের দেশেও ইন্টারনেটের ব্যবহার পূর্বের তুলনায় দ্বিগুন আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিশ্চয়ই এটি একটি শুভ দিক। কেননা, বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তিকে জানতে ও শিখতে হলে অবশ্যই নেটের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে তাদের নেটের খরচ অনেক কম। সেখানে আমাদের দেশে নেটের খরচ কিন্তু বেশী একটা হ্রাস পাইনি।
যাইহোক নেট ব্যবহার করে অনেক যুবক ভাই বর্তমানে স্বপ্ন দেখছেন কিভাবে বিদেশী টাকা ইনকাম করবেন, কোন সাইটে কাজ করবেন, কার কাছ থেকে সঠিক রিভিউ নিবেন ইত্যাদি। অনেকে কিন্তু প্রফেশনাল হিসাবে ইনকাম সাইটে কাজ করছেন ও কাজ করা শুরু করে দিয়েছেন।
বর্তমানে নেট ব্যবহারের মাধ্যমে ইনকাম করা এখন একটা তেমন স্বপ্নের ব্যাপর নয়। তবে এইজন্য প্রয়োজন কম্পিউটারকে ভাল ভাবে জেনে নেওয়া, কাজ করার মনমানসিকতা, ধৈর্য্য ও পরিশ্রম। বাংলাদেশে এমন বেশ কিছু ফ্রীল্যান্সার আছেন যারা প্রফেশনাল হিসাবে ফ্রীল্যান্স সাইটে কাজ করছেন।এবং আমাদের দেশের যুবক ভাইদের এই বিষয়ে দক্ষ মানব সম্পদ হিসাবে গড়ে তোলার জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, সমগ্র পৃথিবীতে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আমাদের বেশ কয়েকজনের অবস্থান প্রায় ৬৫,০০০ জনের মধ্য ৪০০ তম।এদের মধ্য সর্বপ্রথমেই আছেন জনাব, জাকারিয়া চৌধুরী এবং মোহাম্মদ জাবেদ মোর্শেদ চৌধুরী
তাছাড়া আরো অনেকেই আছেন যাদের অবস্থান ১৫০০-২৫০০ এর মধ্য। তাছাড়া সম্প্রতি কিছুদিন পূর্বে অনেকেই জাতীয় পত্রিকার মাধ্যমে জেনেছেন যে, জনপ্রিয় আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস www.freelancer.com গত ১৫ই নভেম্বর ২০১১ থেকে ৩১শে জানুয়ারী ২০১২ পর্যন্ত “Expose the Freelancer.com” শীর্ষক একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন দেশের ৪৪০ জন ফ্রিল্যান্সার অংশগ্রহণ করেন। এখানে বাংলাদেশী মধ্য ২জন বড় অংকের পুরষ্কার পেয়েছেন ।
এখানে যারা এত বড় সফল ফ্রিল্যান্সার হয়েছেন তারা কিন্তু একদিনেই সফলতা অর্জন করতে পারেনি। তাদেরকেও অনেক পরিশ্রম ও মেহনত কম করতে হয়নি। অবশ্য বাংলাদেশের এই সফল ফ্রিল্যান্সারকে নিয়ে ও অনুষ্ঠিত ফ্রিল্যান্স বিষয়ের আলোচনা/গল্প আমার এই পোষ্টের শেষের দিকে করব।
যাইহোক বর্তমানে ইন্টারনেটের ইনকামের ৩ টি সেক্টর রয়েছে তথা- Google Ad sense, Freelancer & PTC/PTR Site।
এর মধ্য সবচেয়ে প্রথম দুইটি ইনকামের দিক থেকে সবচেয়ে বিশ্বস্ত সাইট। অপরদিকে PTC/PTR Site নিয়ে অনেক তর্ক বা বিতর্কের ব্যাপার রয়েছে। দুনিয়ার যত সস্তা বস্তার ইনকাম হল এই PTC/PTR সাইট। এইগুলো অনেকটা আবার ভূয়া ব্যবসা হিসাবে দাড়িয়েছে। পৃথিবীতে প্রায় ২০০০ এর মত PTC/PTR সাইট রয়েছে অথচ এর মধ্য বিশ্বস্ত সাইটের সংখ্যা প্রায় ১৫-২০ টির মত। যারা পিটিসি সাইটে ইনকাম করেন এখানে কিন্তু ইনকামের রেট বেশী একটা হয়না আবার এমন কিছু সাইট আছে এখানে যে ভাবে সময় দিবেন তাতে যদি ফ্রিল্যান্স বিষয়ে কাজ করেন তাহলে সেই একই সময়ে একটি প্রোজেক্ট তৈরি হয়ে যাবে।
যেহেতু পূর্বেই বলেছি ফ্রিল্যান্স সাইট ইনকামের একটি বিশ্বস্ত সাইট।এই ফ্রিল্যান্স সাইট নিয়েও কিন্তু কিছু মহল ধান্দাবাজির ব্যবসায় উঠে পড়ে লেগেছে। অথবা এমন কিছু সাইটকে রাতারাতি তৈরি করে প্রকৃত ফ্রিল্যান্স সাইটের মত ইন্টারফেস দিয়ে আমাদের মত অনেক যুবক/বেকার ভাইকে বোকা বানানো হচ্ছে। সত্যি কথা বলতে কি অনেক যুবক ভাইয়েদের ইনকামের নেশাটা বর্তমানে মাথাতে এমন ভাবে চেপে ধরেছে তারা কোন ইনকামের সাইটের নাম শুনলেই যেন বেহুশ হয়ে পড়েন। আবার কোন সাইটের বাছ-বিচার না করেই সেখানে জয়েন্ট করে ফেলেন। এই জন্য কাজ করবার পূর্বে আমাদের প্রয়োজন সঠিক লোকের পরামর্শ, তথ্য ও সঠিক পরিকল্পনা।
Freelancer.com সাইট নিয়ে পৃথিবী খ্যাত বেশ কয়েকটি ভেন্ডর/প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরা শুধু দুনিয়া জুড়েই খ্যাত নয়। বহু প্রতিষ্ঠান ও ভেন্ডর সার্টিফেকশনে পাস করেছে ও অসংখ্যক পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছে।
দুনিয়া জুড়ে খ্যাত এমন কিছু Freelancer.com সাইট গুলো হল-
আপনি ইচ্ছা করলে এর যে কোন একটি সাইট বেছে নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। তবে যেহুতু সারা পৃথিবীর ন্যায় আমাদের freelancer.com ও Odesk.com জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তাই এখানে কাজটা শুরু করেছেন। যেহুতু দেশেই এই ২ টি বিষয়ে সার্পোট প্লাটফর্ম ও প্রশিক্ষণ রয়েছে।
অপরদিকে কিছু সাইট তৈরি হয়েছে যেগুলো freelancer.com বলে হৈ-হৈ রৈ -রৈ রবটা সরগম হয়ে উঠেছে। এদের মধ্য বর্তমানে Dolancer.com, Skylancer.com, Free Adds Sourcing, Online net 2 work, Onlineadd click এর নামটা উঠে এসেছে। আমি/আমরা (Campus Friends Blogger Team) নিজে অবশ্য এখানে কয়েকদিন পূর্বে Ont est হিসাবে একটু ঢুঁ মেরেছিলাম কিন্তু কাজের কাজ কিছুই বুঝতে পারিনি। কেননা freelancer.com সাইটেও আমরাও তো একটু কাজ করে থাকি লেখাপড়ার মধ্য দিয়ে যতটুকু সময় পাই।কিন্তু freelancer.com এর সাথে এর তেমন কোন কাজের প্রোজেক্টের মিল পাইনি।
এখন হয়ত আমার/আমাদের এই লেখা পড়ে ফুলে ফেঁপে উঠতে পারেন- যারা এই দুটি সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন। তাদেরকে বলব ভাই, আপনাদেরকে হেয় করার জন্য কিন্তু এই লেখাগুলো আমরা মনগড়া হিসাবে লিখছিনা।বর্তমানে সাম্প্রতিক সময়ে এই সকল সাইট নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়াতে যে তথ্যগুলো উঠে এসেছে তার ফলাও করছি। এখন আপনারা যদি একচেটিয়াভাবে আপনাদের কার্যক্রম চালিয়ে যান বা সারা বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগণকেও যদি সদস্য বানিয়ে ফেলেন তবুও আমরা কিছু বলব না বা প্রতিবাদ করব না। আপনাদের কাজ আপনারা না হয় করতেই থাকুন!
আপনারা হয়ত অনেকেই ভাবতেছেন এই সমস্ত কাথা গুলি ইনিয়ে বানিয়ে লিখছি। আসলে তা এক চূলও সত্যি নই। যা প্রতিবেদনে পেয়েছি তাই উল্লেখ করছি। মনে করুন, এখানে না হয় আমি/আমরা মিথ্যা বলছি কিন্তু যারা সফল ফ্রিল্যান্সার আছেন তারা কি তাহলে মিথ্যা বলছেন? আর মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে তাদের কি স্বার্থ লুকায়িত আছে। কারন যারা freelancer.com এর কাজ করেন এখানে তো সম্পূর্ন ফ্রিভাবে সদস্য হওয়া যায় বা কাজ করা যায়। কোন সদস্য বানাতে অর্থ দিতে হচ্ছে না। যদি এমন হত এখানে সদস্য বানাতে অর্থ লাগছে বা নিজের পকেটে অর্থ জমা করা যাচ্ছে এই জন্য freelancer.com সাইট বাদ দিয়ে সদস্যরা অন্য দিকে ভিড়ছে। সেইজন্য নিজেদের সাইটে নজর কাড়ানোর জন্য এই কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে! যেহেতু এখানে এই সম্পর্কে কোন জালিয়াতির প্রশ্নই নাই।
যাইহোক কিছুদিন বিভিন্ন পত্রিকাতে Dolancer.com সাইট নিয়ে বেশ লেখালেখি ও প্রতিবেদন হয়েছিল  আমরা তার কিছু Highlights নমূনা দেখব-। এখানে শুধু অবশ্য Dolancer নই, অন্যান্য বিভিন্ন পিটিসি সাইট নিয়ে নেতিবাচক প্রতিবেদন করা হয়েছিল বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে। যেমন- প্রথম আলোতে – ক্লিককের ফাদে সময় ব্যয় করছে শিক্ষার্থী ও চাকুরীজীবিরা, ইত্তেফাকে প্রায় ১ মাস পূর্বে প্রকাশ করা হয়েছিল- Unipay 2U প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের হাজার কোটি  টাকা আত্নসাত করে পলায়র করেছে ইত্যাদি। এখানে শুধু পেপার-পত্রিকা নই, দেখুন এই সকল পিটিসি সাইট নিয়ে  প্রায় প্রতিটি প্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগ সাইটে  পোস্ট করা নিদিষ্ধ। এবং যাও পোস্ট করা হয়েছে তার সকই নেতিবাচক কথা নিয়ে। তবে বর্তমানে পিটিসি বিষয়ে যে প্রতিষ্ঠানটির নাম বেশী শোনা যায় তার নাম হল-Dolancer.com ।  ফ্রিল্যান্সার বিশেষজ্ঞগণ বলে থাকেন- বর্তমানে অন্যসকল পিটিসির কার্যক্রম প্রায় Dolancer.com এর অনুরুপা। মুলকথা Dolancer.com এর পথ ধরেই অন্যরা এগোচ্ছে। বর্তমানে Dolancer.com এর সাথে অন্যপিটিসি সাইট গুলো প্রতিযোগীতায় নেমেছে। যেমন- Dolancer.com এ- একজন সদস্য পূর্বে ১০০টি অ্যাডে ক্লিক করে কাজ করত, বর্তমানে দিচ্ছে ২৫ টি। আবার অন্য সকল কোম্পানীগুলো- তারাও অ্যাড ও সময় কমিয়ে দিচ্ছে।
গত ০২/০৬/১২ ইং তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার একটি শিরোনম দিয়ে সংবাদ পাবলিশ করা হয়- “কলা বাগানে অনলাইন প্রতারনা অফিস ভাংচুর” এখানে মূলত স্ক্যাইল্যান্সারের প্রতারনার সংবাদ ছবি সহ পাবলিশ করা হয়। যারা আগ্রহীগণ তারা এই সংবাদটি পড়তে নিচের লিংক ক্লিক করুন-
এখানে যে স্ক্যাইল্যান্সার কোম্পানী সম্মানীত গ্রাহকদের সাথে এই রকম প্রতারনা করল। তাহলে অন্য সকল কোম্পানী যে প্রতারনা করবে তার গ্যারান্টি কোথায়? বলত পারবেন! আসলে আমাদের মনে হয়- PTC/PTR এই রকম সাইটের মূল কথা হল- ” একজনের লাভ, অপরজনের বাশ, তোমার হবে সর্বনাশ” এই নীতিতে সম্ভাবত চল। এইভাবে যে এই সকল সাইটে কাজ করে মানুষ প্রতারিত হচ্ছে এটা কোন নতুন খবর নই, পূর্বে তো ছিল, বর্তমানে চলছে, ভবিষ্যতেও হয়ত থাকবে। কিন্তু কখনও খবর/সংবাদ দেখেছেন যে ফ্রিল্যান্সার সাইটে কাজ করে কেউ প্রতারিত হয়েছে বা বাপের হোটেলের টাকা দিতে হয়েছে?
আরকেটি প্রমাণ দেখুন- বর্তমানে আমাদের সবার জনপ্রিয় প্রযুক্তি সাইট পিসি হেল্প লাইনের অ্যাডমিন কর্তৃপক্ষও সকল পিটিসি বিষয়ে এই সাইটে পোস্ট করতে নিষেধ করেছেন। আসলে এখানে যারা পোস্ট করতেন- তারা তাদের স্বার্থে, সদস্য ও রেফারেল বৃদ্ধির জন্য পোস্ট করতেন। পূর্বে পিসি হেল্প লাইনে এমন এবটা অবস্থা হয়েছিল মনে হত এই সাইট যেন পিটিসি সাইটের হাট বসেছে। প্রতিদিনই প্রায় পিটিসি সাইট নিয়ে ৩/৪ টি করে পোস্ট থাকতই।  পরবর্তীতে পিসি অ্যাডমিনদের কার্যকারী পদক্ষেপের কারনে বর্তমানে পিটিসি বিষয়ে পোস্ট চোখেই পড়ছে না। অআসলে এটি একটি ইতিবাচক একটি দিক বিশেষত সুস্থশীল ভিজিটর ও লেখকদের জন্য। এই উদ্যোগ গ্রহন করার জন্য আমি ও আমার বন্ধু টিম পিসি হেল্পলাইন কর্তৃপক্ষকেধন্যবাদ জানাচ্ছি।

রহস্যময় ডুল্যান্সার ও ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং

 কম্পিউটার জগৎ ম্যাগাজিনের ফেব্রুয়ারী ২০১২ সংখ্যায় ডুল্যান্সার এবং এর রহস্যময় কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার মোহাম্মদ জাবেদ মোর্শেদ চৌধুরী। লেখাটিতে ডুল্যান্সার সাইটের করুণ চিত্র, আউটসোর্সিং এর নাম করে MLM ব্যবসা, প্রতিষ্ঠানের স্থায়িত্ব নিয়ে মিথ্যাচার, সাইটে প্রাপ্ত কাজের পরিসংখ্যান আরো নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম কোন ভাবেই জনপ্রিয় আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তথাপি আউটসোর্সিং এর নাম করে সাধারণ জনগণের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত ফ্রিল্যান্সাররা।
সম্পূর্ণ লেখাটি নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে পড়া যাবে -
সচেতনতামূলক প্রতিবেদনটি লেখার জন্য লেখককে অসংখ্য অভিনন্দন জানাচ্ছি। আশা করছি এ থেকে নবীন ফ্রিল্যান্সাররা অবশ্যম্ভাবী বিপদ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।
 ———————————————————————————-
তাছাড়া Dolancer.com নিয়ে ১৮/০২/২০১২ তারিখে জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকাতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়-
এর শিরোনাম ছিল- প্রতারনার ডিজিটাল ফাদ। প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করে Dolancer.com এর অনেক গুপ্ত বিষয়ে আমাদের তরুন সমাজকে সচেতন করেছেন। পত্রিকার সাংবাদিক সাহেব- জনাব, হায়দার আলী।
এই জন্য তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপণ করছি।

পত্রিকাটিতে উক্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে রিপোর্ট দেখতে এই খানে ক্লিক করুন-
http://adf.ly/607VR
অখবা যারা পিডিএফ ফাইল পড়তে বা নামাতে চান তারা এই লিংকে ক্লিক করুন-
http://adf.ly/607Tw
এখানে জনসাধারনের মন্তব্য সহ পুরো প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা আছে। সুতরাং ঝটপটভাবে ডাউনলোড শুরু করুন।
অবশ্য ডোল্যান্সার কর্তৃপক্ষ উক্ত প্রতিবেদনটি প্রস্তুত হবার পর ১৯/০২/১০১২ কিংবা ২০/০২/২০১২ তারিখের দিকে প্রথম আলো পত্রিকা ও যুগান্তর পত্রিকাতে প্রতিবাদ লিপি হিসাবে একটি বিজ্ঞপ্তি ফলাও করা হয়। এখানে প্রায় ১৫-২০ লাইনের মন্তব্য ছিল। মন্তব্যটি প্রদান করেছিলেন Dolancer.com এর মহাব্যবস্থাপক জনাব, রোকন ইউ.আহমেদ।
অবশ্য উক্ত প্রতিবাদ লিপি হিসাবে বিজ্ঞপ্তিটি তেমন যুতসই হয়নি বা সদুত্তর সঠিক ভাবে দেওয়া হয়নি বলে মনে করেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ ও ফ্রিল্যান্সারগণ।তারা বলেন এখানে যে সদস্য ফী নেওয়া হয় তা কোথায় ব্যয় করা হয়? অআবার এটি যে আমেরিকার বিখ্যাত একটি সার্ভার থেকে  ভাড়া ও ডোমেইন নেওয়া হয়েছে ভাল কথা! তাহলে পৃথিবীর বিখ্যাত Freelancer Site হিসাবে এর নাম নেই কেন? যেখানে Odesk দ্রুতভাবেই এই তালিকাতে নাম লিখাতে পেরেছে সেখানে Dolancer, Skylancer এর কেন এমন অবস্থা? ইত্যাদি।মূলত Formality বজায় রাখার জন্য জনসাধারনের নিকট ইতিবাচক মনোভাব নেবার জন্য প্রতিবাদ লিপিটি পাবলিশ করা হয়।
আপনার অনেকেই লক্ষ করবেন যে, Dolancer.com সাইটে পূর্বে ফ্রি সদস্য হিসাবে নিবন্ধন করা যেত না।কিন্তু বর্তমানে Dolancer.com ফ্রি নিবন্ধনের সুযোগ দিচ্ছে।কিন্তু ফ্রি নিবন্ধন করেও কোন লাভ নাই। কোন কাজই করতে পারবেন না। এখানে চালাকি হিসাবে লেখা রয়েছে Post Forum is Beta Version. তাও আবার সদস্য ফী ৬ মাসের জন্য ৩৫০০/- টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।১ বছরের জন্য ৭০০০/- ফী বহাল রয়েছে।
একটি অনুরোধ-
 ইতিপূর্বে বিভিন্ন ব্লগ সাইটে আমরা দেখেছি সেখানে Dolancer.com বিষয় নিয়ে সাফাই গাওয়া হয়েছে ও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে এই রকম পোষ্ট। এই গুলো কারা লিখেছে তা আমাকে বলতে হচ্ছে না । নিশ্চয় আপনারা ব্যাপারটি অতি সহজেই বুঝতে পেরেছেন। এখানে  Dolancer.com এর বেশ কিছু সুবিধাবাদী সদস্য তারা Dolancer নিয়ে পোষ্টগুলো করছেন নিজেদেরকে সুবিধা হাসিলের জন্য। এখানে তারা বিভিন্ন রকম প্রলোভন দেখাচ্ছেন তার শিরোনাম গুলো এক নজরে যেমন-
১- Dolancer.com সাইটকে যারা বিশ্বাস করেন না তারা এবার ফ্রিভাবে সদস্য হোন ও নিজেই কাজ করে পরীক্ষা করুন!অফারটি অল্প সময়ের!!
২- সদস্য হতে রেফারেলে আমার নাম দিন।
৩- বিশেষ কোন অসুবিধাতে পড়লে আমার মোবাইলে নম্বরে কল দিয়েন
৪- আমি প্রায় মাসে ৩০০০০/- ইনকাম করছি ও পেয়েছি
৫- কে হবেন গোল্ডেন ও প্লাটিনাম মেম্বার। আজীবনের জন্য ইনকাম করতে পারবেন সদস্য হতে আমার সাথে যোগাযোগ করুন ইত্যাদি…… ইত্যাদি।
যাইহোক আমাদের প্রিয় পিসি হেল্পলাইন সাইটে কিন্তু এই রকম সদস্যদের চোখে পড়েনি। আবার কখন যে পড়বে না এমন কোন গ্যারান্টি নাই। যাই হোক এই ব্যাপারে সবাইকে সচেনতার প্রয়োজন।
এবং আমি সেই সাথে পিসি হেল্পলাইন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও Admin সাইটকেও বিশেষভাবে অনুরোধ রাখব আপনারাও যেন এই দিকে নজর দৃষ্টি রাখবেন। বিশেষ করে এখানে কোন ব্যাক্তি যেন নিজের স্বার্থে ওকালতি বা দালালী না করতে পারেন। আসলে বর্তমানে তো দেখছি- পিসি হেল্প লাইন অ্যাডমিন কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ন যুগপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাহল- এই সাইটে পিটিসি বিষয়ে বা কোন ভূয়া সাইট নিয়ে পোস্ট করা যাবেনা, করলে লেখককে ব্যান করে দেয়া হচ্ছে।  যাই হোক আমার/আমাদের এই পোষ্ট লিখে যদি কোন অন্যায় করে থাকি তাহলে অ্যাডমিন/ কর্তৃপক্ষ যদি পোষ্টটি ডিলেট করে দেন তবুও আমার/আমাদের কোন আফসোস বা আকুতি থাকবে না।
সম্মানীত ভিজিটরদের উদ্দেশ্য আমার কিছু কথা-
পিসি হেল্প লাইন সাইটে এমন কিছু ভিজিটর রয়েছেন- যারা Dolancer.com  এর পাশাপাশি অন্যান্য পিটিসি তে কাজ করেন। তারা হয়ত লেখকের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারেন। কেননা, এখানে তো আমি উৎসাহ মূলক কথাটা লিখতে পরতাম। আসলে এই পোস্টটি করা হয়েছে ফ্রিল্যান্স বিষয়ে আগ্রহীদের জন্য, এবং আমি নিজেও পিটিসি সাইট নিয়ে কাজ করিনা। এই পোস্টটি পড়ে অনেকেরই ফ্রিল্যান্স সাইট নিয়ে কাজ করবার আগ্রহ জন্মাবে তাই এই পোস্টটি লেখার অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে এই পোস্টে কিন্তু আমি বলছিনা- আপনারা কেউ পিটিসি সাইট করেন না। কেননা, এখানে যদি কেউ পিটিসি সাইটে কাজ করেন সেখানে তো আমার /আমাদের পকেট বা বাপের হোটেলের টাকা দিতে হচ্ছে না! তাহলে স্বার্থ কোথায়? কেনই বা নিষেধ করব! আসলে মূল ব্যাপার হল-
১। Dolancer.com এর মত যারা অন্য সকল সাইটে কাজ করেন, তারা কিন্তু অনেকেই টাকা পাচ্ছেন, আবার অনেকেই ধরা খেয়েছেন। এমন বহু নজীর রয়েছে। পিটিসি সাইটে যারা কাজ করেন- মূল সূত্র হল- একজনের লাভ, অন্যজনের বাঁশ!! হয়ত আপনি কিছু লাভ করলেন, কিন্তু আপনার অন্য ভাইয়ের তো লোকসান গেল। কি করবেন?
২। এমন অনেক ভিজিটর আছেন যারা না বূঝে মন্তব্য করেন- যেমন এই সকল সাইটকে তারা ফ্রিল্যান্সার বলে চালিয়ে দেন। এটা মারাত্বক ভূল! কেননা এক কথাতে বলা যায়- যেখানে অ্যাডে ক্লিক করা হয় তাকেই পিটিসি সাইট বলা হয়। এবং লিগ্যাল ফ্রিল্যান্সার সাইটে যারা কাজ করেন এই সকল অ্যাডের কোন সংযুক্তি নাই। যারা ফ্রিল্যান্স সাইটে কাজ করেন, তাদের কাছ হতে জেনে নিন। তাহলে এর পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
৩। আচ্ছা এই সকল সাইট যদি সত্যিই ফ্রিল্যান্স সাইট হয়, তাহলে কেন আপনাকে অতগুলো টাকা দিতে হচ্ছে নিবন্ধন করবার জন্য একবার কি ভেবে দেখেছেন?  এখানে তো বাংলাদেশেনর কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বের এমন কিছু ট্রাষ্টেড পিটিসি সাইট রয়েছে (Neobux, Click sense) যেখানে টাকা দিতে হয়না, তাহলে এখানে কেন টাকা দিতে হচ্ছে?
৪। আপনারা কি আমার একটা প্রশ্নের জবাব দিবেন- অবশ্য আমি নিজেও হিসাব মিলাতে পারছিনা যেমন- বাংলাদেশে যে সকল পিটিসি সাইট গুলো গ্রাহকদের এত বিপুল অর্থ দিচ্ছে সেটা কোথা হতে দিচ্ছে? কেননা, টাকা আয় করা কি এতই সস্তা। যেখানে ১৫ টি অ্যাডে ক্লিক করে প্রতিদিনে ২ ডলার করে আয়। ৫ টি একাউন্ট করলে মাসে ১৫,০০০/- টাকার মত আয়। ভাল কথা! কিন্তু এত সদস্যদের অর্খটা কিভাবে এই সকল কোম্পানী পেমেন্ট করবে? টাকার গাছ আছে না কি? আপনি একটু ভাবুন তো, নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন।
৫। যেখানে শেয়ার বাজারে ইনভেস্ট করে লোকসান গুণতে হচ্চে। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। আর এই সকল কোম্পানীগুলো ………………। এখানে যদি সত্যিই এত সস্তাভাবে টাকা অআয় করা যায়। তাহলে তো- শিক্ষিত বেকার ছেলেরা চাকুরীর পিছনে এত ছুটাছুটি করবেনা, বিসিএস পরীক্ষা দেবার প্রয়োজন নাই।
৬। পিটিসি সাইটে কাজ করে কিন্তু কোন সৃজনশীলতা বিষয়ে শেখা যায়না, কিন্তু ফ্রিল্যান্স সাইটে অনেক সৃজনশীলতার বিষয় অন্তভূক্ত আছে।ফ্রিল্যান্স সাইটকে অবশ্য অনলাইন জব বলা হয়। আপনার ইচ্ছা মত কাজ করতে পারবেন। যেমন- ১ মাস কাজ করলেন, ২ মাস করলেন না, অসুবিধা নাই!!
৭। ফ্রিল্যান্স সাইটে  কোন ইনভেস্ট লাগে না। অবশ্য সদস্য নাম লেখাতে  কিছু অর্থ দিতে হয়। তাও বাধ্যতামূলক নই।
৮। পিটিসি সাইটে কাজ করতে শরীরে পেশার পড়ে যেমন- চক্ষুর দিক দিয়ে। এক নজরে মনিটর স্কীনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়, ফলে এখানে বাত বা মানসিকতার সমস্যা হতে পারে। কিন্তু ফ্রিল্যান্স সাইটে এই সবের কোন প্রশ্নই নাই। কেননা, পিটিসি সাইটে আপনার প্রতিদিনের একই সময়ে কাজ শেষ করতে হয়। ফ্রিল্যান্স সাইটে একটি কাজ কয়েক দিনেও করা যেতে পারে।
——————————————————————-
অনেক অনেক বক বক করা হল। এবার আরেকটি বিষয়ে মূল আলোচনাতে আসি। প্রথমত এই পোষ্টে আলোচনার শুরুতে বলেছিলাম ফ্রিল্যান্স বিষয়ে একটি সেমিনার হয়েছে এবং কে কি পুরষ্কার পেয়েছে তার বিস্তারিত প্রতিবেদন-
ফ্রিল্যান্সাপ্রতিযোগিতা: Expose the Freelancer.com Logo
জনপ্রিয় আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস www.freelancer.com গত ১৫ই নভেম্বর ২০১১ থেকে ৩১শে জানুয়ারী ২০১২ পর্যন্ত “Expose the Freelancer.com” শীর্ষক একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন দেশের ৪৪০ জন ফ্রিল্যান্সার অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ছিল Freelancer.com সাইটের লোগোকে সৃজনশীল উপায়ে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া। প্রতিযোগিতার ফলাফল গত ২৭শে ফেব্রুয়ারী ঘোষণা করা হয়। এতে ১০ হাজার ডলারের প্রথম পুরষ্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার নাজমা রহমান যিনি সাইটিতে Dataexpert01 নামে পরিচিত। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরষ্কার পান যথাক্রমে পাকিস্থান এবং নেপালের দুজন ফ্রিল্যন্সার।
নাজমা রহমান এবং উনার টিম প্রতিযোগিতার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জে Freelancer.com এর লোগো সম্বলিত ২০০০ স্কয়ার ফুটের একটি বিশাল ব্যানার তৈরি করেন এবং একটি বিশাল র ্যালীর আয়োজন করেন যাতে নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকল বয়সের ও বিভিন্ন পেশাজীবির ৩০০০ জন অংশগ্রহণ করেন। র ্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র ্যালীর পাশাপাশি উপস্থিত জনগণকে Freelancer.com সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় এবং সাইট থেকে কিভাবে আয় করতে হয় সেদিকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

প্রতিযোগীতা: Suggestion of the Month (January)
Freelancer.com তাদের সাইটকে উন্নত করার লক্ষ্যে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং নতুন আইডিয়া গ্রহণ করে থাকে। এই পরামর্শগুলোর মধ্য থেকে প্রতিমাসে একজন সেরা পরামর্শদাতাকে পুরষ্কৃত করা হয়। গত জানুয়ারি মাসে পরামর্শ দিয়ে ২৫০ ডলারের পুরষ্কারটি পেয়েছেন বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার সৈয়দ আহমেদ সালিমুদ্দিন সুলতান। সাইটের যে কোন ব্যবহারকারী এতে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এজন্য সাইটের সাপোর্ট ডেস্কে গিয়ে সাজেশন বিভাগে পরামর্শটি একটি টিকেট হিসেবে জমা দিতে হয়।

নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস

১- প্রথম কাজ পেতে কয়েক সপ্তাহ থেকে শুরু করে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে, তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরে বিড (Bid) করে যেতে হবে।
২- প্রথম দিকে যত কম মূল্যে বিড করা হবে কাজ পাবার সম্ভাবনাও তত বেশি হবে।
৩- সম্ভব হলে বিড করার পূর্বেই যদি কাজটি সম্পন্ন করে ক্লায়েন্টে দেখানো যায় এবং আপনার কাজটি যদি সে পছন্দ করে তাহলে নিশ্চিতভাবে প্রজেক্টটি আপনাকেই দিবে।
৩- কোন কাজ না পারলে সেই প্রজেক্টে কখনই বিড করা উচিত নয়। অনেকেই না বুঝে বিড করে থাকেন এবং ভাবেন কাজটি পেলে অন্য কারো সাহায্য নিয়ে সম্পন্ন করে ফেলবেন। কাজ না জেনে খুব বেশি দূর যাওয়া সম্ভব নয়।
৪- ইন্টারনেটে অসংখ্য ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যে কাজই করে থাকুন না কেন, চেষ্টা করবেন যাতে পরিপূর্ণভাব সেই কাজে আগে দক্ষ হয়ে তারপর কাজের জন্য আবেদন করা।
৫- সাধারণত যে সকল কাজ তুলনামূলকভাবে একটু কঠিন এবং যে সকল কাজে কম বিড পড়ে, সেধরনের কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পূর্বে সব ধরনের কাজ একটু পর্যবেক্ষণ করে নিন এবং সে অনুযায়ী নিজেকে তৈরি করে নিন।
৬- বলাই বাহুল্য আউটসোর্সিং এর কাজ করতে ইংরেজীতে পারদর্শী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত প্রজেক্টের চাহিদা বুঝা এবং সে অনুযায়ী ক্লায়েন্টের সাথে সাবলীলভাবে যোগাযোগ করার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন।
৭- একটি প্রজেক্ট সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা না নিয়ে কখনই কাজ শুরু করা উচিত নয়। ক্লায়েন্ট তাদের চাহিদা বিড রিকোয়েস্টের সাথে সম্পূর্ণভাবে উল্লেখ নাও করতে পারে। তাই যতটুকু সম্ভব তাদেরকে প্রশ্ন করুন। তারপর প্রজেক্টের রিকোয়ারমেন্ট আপনার নিজের ভাষায় বায়ারকে লিখে জানান। এতে বায়ারের চাহিদা সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন এবং কাজ করার সময় আপনার পরিশ্রম অনেকখানি কমে যাবে। প্রশ্ন করলে বায়ার খুশি হয় এবং আপনার আগ্রহ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে।
৮- সম্পূর্ণ কাজকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করুন এবং প্রতিটি ধাপ শেষ হবার পর পর ক্লায়েন্টকে দেখান।
৯- ডেডলাইন সময় শেষ হবার পূর্বেই সম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করুন এবং ক্লায়েন্টের কাছে পাঠিয়ে দিন।
১০- ক্লায়েন্টের কাছে কাজ পাঠানোর পূর্বে ভাল করে রিকোয়ারমেন্ট আরেকবার দেখে নিন এবং সম্পূর্ণ কাজ ভাল করে পরীক্ষা করুন।
১১- সব সময় চেষ্টা করবেন যাতে কাজ শেষে সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া যায়। ভাল রেটিং পেলে পরবর্তী কাজগুলো খুব সহজেই পাওয়া যায়।
১২- ভাল রেটিং পাবার উপায় হচ্ছে – সঠিকভাবে কাজটি করা, সময়মত কাজটি শেষ করা, ক্লায়েন্টের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা।
১৩- রেটিং দেবার পূর্বে ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞেস করে নিন যে সে আপনার কাজে সম্পূর্ণ খুশি কিনা এবং আপনাকে সর্বোচ্চ রেটিং দিতে যাচ্ছে কিনা।
১৪-কাজে এবং কথাবার্তায় সবসময় সৎ থাকতে হবে। কখনও ভুল তথ্য প্রদান করা যাবে না। কোন কারনে কাজ করতে না পারলে বিষয়টি ক্লায়েন্টকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিন, বেশিভাগ ক্ষেত্রেই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে যথাযথ সহায়তা পাওয়া যায়।
লেখক -মোহাম্মদ  জাকারিয়া চৌধুরী
বিঃদ্রঃ – এই লেখাটি “প্রথম আলো” পত্রিকার “প্রজন্ম ডট কম” পাতায় ২রা মার্চ ২০১২ ইং তারিখে প্রকাশিত হয়েছে।
একটি বিশেষ পরিচিতি-
উল্লেখ্য কিছুদিন পূর্বে আমাদের পোষ্টে এলার্টপের ব্যবহার কৌশল সম্পর্কে ১টি পোষ্ট করছিলাম। ঐ খানে আপনাদেরকে একটি এলার্টপে সহায়তা রেফারেল হিসাবে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে বলেছিলাম। এবং লিংকে লেখক মোঃ জাকারিয়া চৌধুরী নাম উল্লেখ করেছিলাম। অনেকরই প্রশ্ন থাকতে পারে এই লেখক কে?
যাইহোক আমি বলছি- এই লেখকের অনেক বই ও প্রতিবেদন পড়েছি বিভিন্ন পেপার-পত্রিকাতে। ইনার স্থায়ী নিবাস পবিত্র পূণ্যভূমি সিলেট শহরে। পূর্বে আমি উল্লেখ করেছিলাম ফ্রিল্যান্সার হিসাবে সারা বিশ্বে তার অবস্থান ৪০০ এর মধ্য। বাংলাদেশের দিক থেকে ১ম বলা চলে। তিনি সিলেটে এই বিষয় নিয়ে প্রায়ই সেমিনার করে থাকেন। এবং কিভাবে এই দেশের তরুনেরা সফলকাম ফ্রীল্যান্সার হবেন সেই সব বিষয়ে গবেষনা করেন এবং কাজও শুরু করে দিয়েছেন। আমাদের পিসি হেল্প লাইন যে সকল ব্লগার বা ভিজিটর আছেন (মূলত যারা সিলেট জেলার নিবাসী) তারা এক নামে কৃতীধর স্বনামধণ্য এই ব্যাক্তিকে অনেকটা এক নামেই চিনতে পারবেন।
যাইহোক আমি আর বিস্তারিত কিছু বলছিনা । এখানে লেখক নিজেই তার পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত বলছেন-
  আমি মোঃ জাকারিয়া চৌধুরী, একজন ফ্রিল্যান্সার ওয়েব ও গেম ডেভেলপার। পড়ালেখা করেছি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। চতুর্থ বর্ষে থাকাকালে একটি সফটওয়্যার ফার্মে পার্টটাইম ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে এক বছর কাজ করেছি। পাশ করার পর ২০০৬ সাল থেকে অন্য কোন চাকুরী না করে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করছি। বর্তমানে সিলেটে Web craft Bangladesh নামে একটি ওয়েব ও গেম ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান এবং  সিলেট আইটি একাডেমী নামে একটি তথ্য-প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করছি।
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলাম রেন্ট-এ-কোডার (ভি-ওয়ার্কার) নামক মার্কেটপ্লেসে কাজ করার মাধ্যমে। ২০১০ পর্যন্ত এই সাইটে কাজ করেছি, সেসময় পর্যন্ত সাইটের তিন লক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে আমার রেংকিং ছিল ৪০০,প্রথম অবস্থায় কাজ পাওয়া এতটা সহজ ছিল না। মনে আছে প্রথম কাজ পেতে আমাকে ১৫ থেকে ২০ টি প্রজেক্টে বিড করতে হয়েছিল এবং সময় লেগেছিল প্রায় এক মাস। কিন্তু কয়েকটি প্রজেক্ট সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আমাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রথম অবস্থায় আমার রেংকিং ছিল ৮,০০০ যা থেকে ১,০০০ পৌছাতে এক বছর সময় লেগেছিল। ১,০০০ থেকে ৪০০ তে উন্নীত হতে আরেকটি বছর সময় লেগেছে। গত কয়েক বছরে আমি অসংখ্য প্রজেক্ট সফলভাবে সম্পন্ন করেছ। আমি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, স্পেন, মালয়শিয়া, নরওয়ে, নাইজেরিয়া ইত্যাদি বিভিন্ন দেশের ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট করেছি।
বর্তমানে আমি বেশ কয়েকজন ক্লায়েন্টের কাছ থেকে সরাসরি ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ পেয়ে যাচ্ছি। ক্লায়েন্টদের কাজ করার পাশাপাশি বর্তমানে আমরা নিজেরাই আইফোন ও এন্ড্রয়েডের জন্য গেম এবং এপ্লিকেশন তৈরি করে সরাসরি App Store ও Android Market এ রিলিজ করার উদ্দ্যোগ নিচ্ছি। আশা করছি খুব শিঘ্রী দুইটি গেম পাবলিশ করতে পারব। একই সাথে CodeCanyon মার্কেটপ্লেসে আমরা মোবাইল এপ্লিকেশন বিক্রি করছি।
ফ্রিল্যান্সিং এর স্বীকৃতিসরূপ আমি ২০১১  সালে” বেসিস ফ্রিল্যান্সার অব দ্যা ইয়্যার ২০১১” এওয়ার্ডপ্রাপ্ত হই, যা ছিল আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে সবাইকে জানাতে আমি প্রায় সময় বিভিন্ন উদ্দ্যোগ গ্রহণ করি। গত কয়েক বছর আমি ঢাকাতে বিভিন্ন সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করি। বর্তমানে আমি আমার নিজের শহর সিলেটে এটিকে প্রচার করতে আমার প্রতিষ্ঠান থেকে বিনামূল্যে বিভিন্ন সেমিনারের আয়োজন করছি। বর্তমানে BDO osn Outsourcing  নামক একটি গুগল গ্রুপের এডমিনিস্ট্রেটর হিসেবেও দ্বায়িত্ব পালন করছি। আমি স্বপ্ন দেখি একদিন দেশের তরুণরাই আউটসোর্সিং এর কাজ করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চেহারাকে পাল্টে দিবে।
২০০৮ সাল থেকে আমি “কম্পিউটার জগৎ” ম্যাগাজিনে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন লিখছি। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর থেকে প্রতিদিন আমি অসংখ্য ইমেইল পেতে থাকি। আমি চেষ্টা করি সবার ইমেইলের উত্তর দিতে। কিন্তু ব্যস্ততার কারনে সকল ইমেইলের উত্তর দেয়া সম্ভব হয় না। অনেক ক্ষেত্রে কয়েকজন প্রায় একই ধরনের ইমেইল করে থাকেন। পাঠকদের কথা চিন্তা করে তাই এই সাইটটি তৈরি করেছি। চেষ্টা করব নিয়মিতভাবে এই সাইটে লিখতে।
যাইহোক অনেক কথা লেখা হল। অআপনাদের যদি কারও কোন সামান্যতম উপকারে অআসে তাহলে অআমাদের এই লেখার পরিশ্রম স্বার্থকতা বলে মনে করব। মূলত যারা সঠিক ফ্রিল্যান্সার সাইটে কাজ করতে চান তাদেরকে মনোবল বৃদ্ধি ও উসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টির জন্যই অআজকের এই পোষ্টটি সাজিয়েছি।
বিঃদ্র- এই পোষ্টের কিছু আলোচনা আমাদের চিন্তশক্তিতে ও গবেষনা হিসাবে লিখেছি। এবং বাকি অংশ বিভিন্ন পেপার-পত্রিকার রেফারেল অনুসরনে করেছি। তাছাড়া কিছু অংশ লেখার জন্য লেখকের পূর্ব থেকেই সম্মতি পেয়ে করেছি।
পোষ্টটির কোন ভূল ত্রুটি দৃষ্টি গোচর হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহবান রাখছি।
Legal Notice-
বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে কতিপয় অসাধু ব্যাক্তি/লেখক আমার এই পোষ্টগুলো হুবহু ও অআংশিক নকল করে অন্য ব্লগ সাইট ও নিজের ব্লগ সাইটে নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছেন।এইগুলো করা মূলত অনৈতিকতার পরিচয় ও বেআইনি কাজও বটে। যেমন-০২/০৩/২০১২ তারিখে এভাস্ট সিকিউরিটি নিয়ে একটি পোষ্ট করেছিলাম সেখানে একটি ব্যক্তিগত সাইটে দেখলাম উক্ত সাইটের লেখক আমার লেখা হুবহু নকল করে নিজের নামে তা প্রকাশ করেছেন। কেউ যদি নিজের লেখা হুবহু নকল করে অন্য কেউ চালিয়ে দেয় বিষয়টি মেনে নেওয়া অনেকটা কষ্টকর ব্যাপার। তবে একটি বিষয় নিয়ে যদি কেউ আপডেট হিসাবে নিজের মেধার বহি প্রকাশ ঘটিয়ে রিভিউ করে তবে সেটিকে নকল বলা অনুচিত নয়। যাই হোক ঐ সকল লেখকদেরকে আমি টেকটুইটস এর পক্ষ থেকে অনুরোধ করব Please Don’t any post/Write Script without author/writer permission. এখানে শুধু আমার লেখা নকল হয়নি অন্য ব্লগার ভাইদের লেখাও হুবহু নকল করা হয়েছে-
 
N.B- : PLEASE DO NOT COPY MY ANY COLLECTION & AND DO NOT SHARE IT OF OTHER PERSONS  ™ AMD
———————————————————–
Edited By-
AMD-ASLAM-POLLOB-SUMON
Campus Friends Blogger Team (CFBT)
RU-6100

Latest News

Flickr

Blogroll

Recent news

Text Widget

Blogroll

recentposts

Discussion

© 2014 Banglablog. WP Theme-junkie converted by Bloggertheme9 Published By Gooyaabi Templates
Powered by Blogger.
back to top